CJP SFI Press Confarence

'গণতন্ত্র বনাম স্বৈরতন্ত্রের লড়াই', ছাড়া পেয়ে বলছেন এসএফআই সভাপতি

জাতীয়

"জ্ঞানেশ কুমার ভারতীয় গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন এবং এই সংঘাত "গণতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রের" মধ্যকার লড়াই।" বুধবার দিল্লি প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এই কথা বলেছেন এসএফ়আই সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে কাছেই একটি জায়গায় বিক্ষোভ দেখছিলেন আদর্শ সহ এসএফআই নেতৃত্ব। সেখান থেকেই তাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। যদিও পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। 
১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ কর্মসূচির ঠিক আগে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। সংগঠনগুলির তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে, নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এই  যৌথ সংবাদ সম্মেলন থেকে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র সাংসদদের ৬ অক্টোবরের প্রতিবাদ মিছিলের প্রতি সমর্থন জানায় এবং এই সংঘাতকে গণতন্ত্র রক্ষাকারী জনগণ ও বিজেপির মধ্যে লড়াই হিসেবে অভিহিত করে।
এদিন সিজেপি'র পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন সহ স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া একসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে। এতে আম আদমি পার্টির ছাত্র সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ স্টুডেন্টস ফর অল্টারনেটিভ পলিটিক্স’-ও অংশ নিয়েছিল।
এদিন সিজেপি -র সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস বলেন,  "এই লড়াই সহজ নয়। আমি সারা দেশের মানুষের কাছে আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ১০ অক্টোবরের জন্য ট্রেন ও বিমানের টিকিট বুক করার আহ্বান জানাচ্ছি।"
দাস বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করলেও আন্দোলনকারীরা পিছু হটবে না কারণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করা প্রয়োজন। 
সেইসঙ্গে, সৌরভ এদিন জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় প্রক্রিয়া অর্থাৎ এসআইআর প্রকৃত স্থগিত করা, নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা না ফেরা পর্যন্ত নির্বাচন বন্ধ রাখা, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের ভোটার তালিকা পুনর্বহাল ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটি বাতিল করে একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানান। 
আইসা সভাপতি নেহা বোরা বলেন, শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন এবং বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের মধ্যে কোনও বিভাজন নেই।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ, সুশীল সমাজ, বিরোধী দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো একদিকে এবং নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি অন্যদিকে অবস্থান করছে।
বোরা আরও বলেন, কোনও বিভাজন নেই। এই লড়াইয়ে একদিকে আমরা ভারতের জনগণ, আর অন্যদিকে বিজেপি। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিই, তবে আমাদের দাবিগুলি কার্যকর হবেই।

Comments :0

Login to leave a comment