ইডি-র আইপ্যাক মামলা আসলে আসলে এসআইআর, ভোটাধিকার, একশো দিনের কাজ, স্কুল, বেকারির মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা বন্ধ করানোর কৌশল। রাজনৈতিক নাটক আদালতের কক্ষে ঢুকে পড়েছে।
বুধবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে এই মন্তব্য করেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিন কলকাতায় মুজফ্ফর আহ্মদ ভবনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি।
তৃণমূলের ভোট পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তর এবং সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাসভবনে গত ৮ জানুয়ারি তল্লাশিতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডি। চরম নাটকীয় পরিস্থিতিতে তল্লাশির মাঝে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল প্রধান মমতা ব্যানার্জি। ফাইল, ল্যাপটপ নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে। ইডি’র দায়ের করা মামলা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে গড়িয়েছে। বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টে ইডি জানিয়েছে কোনও নথিই বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেগুলি মমতা ব্যানার্জি নিয়ে গিয়েছেন।
সেলিম এক প্রশ্নে বলেন, ইডি-কে ‘সিজার লিস্ট’ দিতে হয় কোথাও তল্লাশি করলে। সেটা কোথায়? তা’হলে গেল কেন? কী উদ্দেশ্যে গিয়েছিল? তা’হলে ধরতে হয় ওই ল্যাপটপ, ওই ফাইল নিতে কেবল গিয়েছিল। সেগুলিই মমতা ব্যানার্জির হাতে তুলে দিয়েছিল ইডি। আর অন্য কিছু পেল না বাজেয়াপ্ত করার মতো!
এরপরই সেলিম বলেন, চিটফান্ড কান্ডে তো শুনানি হয়েছে। কী ফল পেয়েছি আমরা? তিনি বলেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ৩০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হলো। তারপর কী হলো?
সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সভা প্রসঙ্গে প্রশ্নে করা হয় সেলিমকে। তিনি বলেন, তখন তো রাজনাথ সিং থেকে শুভেন্দু অধিকারী সব একদিকে ছিল। সবাই মিলে কারখানা বন্ধ করতে নেমেছিল মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে। বামপন্থীরা শিল্প সম্ভাবনা দেখেছিল। ২০০৬-১১ পর্বে বিনিয়োগের জায়গা হিসেবে আমরা ছিলাম এক নম্বরে। গুজরাট, কর্নাটককে পিছনে ফেলে দিয়েছিলাম। সেই সম্ভাবনা নষ্ট করেছে তৃণমূল। তাকে সাহায্য করেছে বিজেপি।
আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে পালনের দাবি করে আসছে বামপন্থীরা।
ED I-PAC
নজর ঘোরাতে আইপ্যাক মামলা ইডি-র : সেলিম
×
Comments :0