Resistance Day

দেশজুড়ে ‘প্রতিরোধ দিবস’ কৃষিজীবীদের

জাতীয়

কৃষিজীবীর জীবনজীবিকা ওপর আনা হচ্ছে মারাত্মক আঘাত। আক্রান্ত সব অংশের শ্রমজীবী। শুক্রবার কেন্দ্রের এই নীতির প্রতিবাদেই দেশের সর্বত্র ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হয়েছে সংযুক্ত কিসান মোর্চার ডাকে।
তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হয়েছিল তীব্র আন্দোলনের চাপে। কিন্তু কৃষিতে কর্পোরেট কবজা কায়েমের লষ্য থেকে সরেনি কেন্দ্রের বিজেপি জোট সরকার। এনেছে বীজ বিল, বিদ্যুৎ বিল। বাতিল হয়েছে একশো দিন কাজের আইন। চালু হয়েছে চার শ্রম কোড।
এদিন তার প্রতিবাদে কৃষিজীবীরা রাস্তায় নেমেছেন দক্ষিণ থেকে উত্তরে, পুব থেকে পশ্চিমে। হয়েছে মিছিল, ধরনা। চলেছে বিক্ষোভ সভা। 
সারা ভারত কৃষক সভা জানিয়েছে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, তামিলনাডুর মতো রাজ্যে রাজ্যে দেখানো হয়েছে বিক্ষোভ। 
সংযুক্ত কিসান মোর্চা বিবৃতিতে বলেছে, নতুন বছরের প্রথম মাসেই লাগাতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ার শপথ নিয়েছে কৃষিজীবী, শ্রমজীবীরা। ‘প্রতিরোধ দিবস’ দেখিয়েছে দেশজুড়ে একসুরে লড়াইয়ের বার্তা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। কেন্দ্রের সরকারকে এমন জনবিরোধী পদক্ষেপ বাতিল করতেই হবে। আন্দোলন জারি থাকবে।
বীজ বিল ঘিরে কৃষক এবং খেতমজুর সংগঠনগুলির অভিযোগ, বীজের ওপর কৃষকের স্বাভাবিক অধিকারও কেড়ে নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিলের বিরুদ্ধে লাগাতার চলছে লড়াই। বেসরকারি হাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে দিয়ে মুনাফা কামানোর ব্যবস্থা হচ্ছে। আক্রান্ত হচ্ছেন কৃষক, সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য, ২৯টি শ্রম আইন ভেঙে কেন্দ্র আগেই চার শ্রম কোড চালু করেছে। যেখানে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সঙ্গত দাবিতে একজোটে আন্দোলনের জন্য ফৌজদারি মামলার মুখে শ্রমিকদের ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্প বাতিল করে আনা হয়েছে ‘বিকশিত ভারত জি রাম জি’ আইন। খরচের দায় চাপানো হয়েছে রাজ্যের ওপর। কাজের গ্যারান্টি যেটেকু রয়েছে গ্রাম ভারতে তাকে তুলে দেওয়াই উদ্দেশ্য, বলছেন কৃষিজীবীরা।

Comments :0

Login to leave a comment