আন্দোলনের আঁচ বাড়ছে ক্রমাগত। প্রতিদিন আটক করা হচ্ছে আন্দোলনকারীদের। পরের দিন ফের জমায়েত হচ্ছেন তাঁরা। দেশের ছাত্র যুবরা প্রশ্ন করছে, জবাব চাইছে। দেশের চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে চলমান আন্দোলন প্রতিদিন দাবানলের রূপ নিচ্ছে। শুধু দিল্লি না দেশের প্রায় সর্বত্র এসআইআরের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। রবিবার কলকাতায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন সমূহের ডাকে মিছিলের আহ্বান করা হয়। এদিনের মিছিলে সব অংশের মানুষকে আহ্বান জানানো হয়।
শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এদিন মিছিল হয়েছে। রানি রাসমণি রোডে সমাবেশ হয়েছে। এসএফআই সহ বাম ছাত্র সংগঠন গুলির তরফে এদিনের মিছিল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় দিল্লিতে আন্দোলন আটকালে, গোটা দেশে গড়ে উঠবে যন্তরমন্তর।
উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর সিজেপি সহ বাম ছাত্র সংগঠন গুলির ডাকে যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সকাল থেকেই সেখানে গোটা দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়। পুলিশ, সিআইএসএফ, বিএসএফ সকলকে নামিয়ে দেওয়া হয় দিল্লি জুড়ে প্রতিবাদ রুখতে। কার্যত যুদ্ধ ক্ষেত্রে রূপান্তরিত হয় দিল্লি। দেশের বাম গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকেও আটক করে পুলিশ।
শনিবারের পর রবিবার ফের রাস্তায় নামে প্রতিবাদীরা। এদিন রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের সামনে ফের জমায়েত হন এসএফআই সভাপতি এস এম সাজি সহ এসএফআই কর্মীরা। সেখানে বর্বোরচিত ভাবে লাঠিচার্জ করা হয় তাদের উপর। পুলিশের লাঠির আঘাতে মাথা ফেটেছে সাজির। তারপর তাদের সেখান থেকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাসকে নির্মম ভাবে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। ধাক্কা মেরে তাঁকে বাসে তোলা হয়েছে। বর্তমানে আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এআইএসএ-র সভাপতি নেহা বোরা ফের এদিন রাস্তায় নামেন। পুলিশের একাধিক ব্যারিকেড ভেঙে যন্তরমন্তরে দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু তাদেরও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
delhi protest kolkata
‘সারা দেশ যন্তর মন্তর’, দিল্লির আঁচে স্লোগান কলকাতায়
×
Comments :0