নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালিন কত গুলো নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে তার কোন কথা বললেন না প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। কেন মোদী সরকারের আমলে দেশে বেকারত্বের হার সবথেকে বেশি তার কোন কথা নেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী কথায়।
এদিন রাজনাথ সিং দাবি করেন মোদী আমলে বদলে গিয়েছে ‘ওয়ার্ক কালচার’। তিনি বলেন, ‘এখন মহাকাশ গবেষণায়, পরমানু গবেষণায় বেসরকারি সংস্থা গুলোকে যুক্ত করা হচ্ছে। যা আগে কখনও ভাবা যায়নি।’ উল্লেখ্য স্বাধীনতার পর থেকে দেশের স্বার্থের সাথে যুক্ত এই স্পর্ষকাতর বিষয় গুলো বিভিন্ন রাষ্ট্রায়াত্ব সংস্থার দ্বারা পরিচালিত হতো। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দেশের নিরাপত্তা এবং স্বার্থের সাথে যুক্ত এই সব বিষয় গুলোকে একের পর একে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিচ্ছে। যার ফলে প্রশ্নের মুখে পড়ছে দেশের নিরাপত্তা।
নিজেদের রাষ্ট্রবাদী বলে দাবি করে বিজেপি, আরএসএস। আর তারাই ক্ষমতায় আসার পর দেশের একের পর এক সম্পদকে বিক্রি করছে। যা ২০১৪ সালের আগে কখনও ভাবা যায়নি।
প্রশাসক নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছর পূরণ এবং তার জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশ জুড়ে ‘সেবা সে সঙ্কল্প অভিযান’ ঘোষণা করেছে বিজেপি। এদিন কলকাতা সফরে এসে এই বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকার, লকেট চ্যাটার্জি।
এদিন কেন্দ্রের বিজেপির সরকার একাধিক বিষয় তুলে ধরেন রাজনাথ সিং। তিনি দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালিন দেশের অর্থনীতি উন্নতি করেছেন। আর এই উন্নতির পোশাকি নামও দিয়েছেন তিনি। রাজনাথ বলেন, ‘ভারতের অর্থনীতির উন্নতির কারণ মোদীনমিক্স।’ রাজনাথ সিং যেই দাবি করেছেন তার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। বেড়েছে মুদ্রাস্মীতি, বেকারত্ব। বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। দেশের মানুষের ওপর বেড়েছে অর্থনৈতিক বোঝা।
রাজনাথ সিং বলেন, যখন জনধন যোজনা চালু করা হয় তখন বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে এই জনধন যোজনা গুলোয় অর্থীক লেনদেন কয়েকগুন বেড়েছে। উল্লেখ্য নোটবন্দির সময় এই জনধন যোজনা অ্যাকাউন্ট গুলোয় বিপুল টাকা জমা পড়ে। তা নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সরকারের পক্ষ থেকে সেই বিষয় নির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ যেমন নরেন্দ্র মোদীর ওপর ভরসা রেখেছেন, তেমন নরেন্দ্র মোদীও দেশের মানুষের ওপর ভরসা রেখেছেন। করোনা অতিমারির সময় দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদীর কথায় গৃহবন্দি থেকেছেন।
২০২০ সালে করোনা অতিমারির সময় অপরিকল্পিত ভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। বহু পরিযায়ী শ্রমিক কর্ম ক্ষেত্রে আটকে পড়েন। পায়ে হেঁটে তারা বাড়ি ফেরেন। সেই সময় কাজ হারানো মানুষ গুলোর কোন দায়িত্ব সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।
Rajnath Singh
মহাকাশ গবেষণা, পরমানু ক্ষেত্র বেসরকারি হাতে দেওয়াকেই সাফল্য বলছেন রাষ্ট্রবাদী রাজনাথ
×
Comments :0