I-PAC SUPREME COURT

সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশ পুলিশের দায়ে করা ইডি’র বিরুদ্ধে মামলার, ধাক্কা রাজ্য সরকারের

জাতীয় রাজ্য

আই-প্যাক কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার। ইডির বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে যেই এফআইআর করা হয়েছিল তাতে স্থগিতাদেশ জারি করলো সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইডি’র কাজে পুলিশের হস্তক্ষেপ নিয়ে। সুপ্রিম কোর্টের কথায় উপযুক্ত নথি নিয়ে যদি কোন সংস্থা তদন্ত করতে যায় তবে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না। এর পাশাপাশি কোন কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা যদি সঠিক ভাবে কাজ করে তার সাথে কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে তাও বলা যায় না। 
শীর্ষ আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে সব সংস্থা যাতে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানি হবে। এর সাথে লাউডন স্ট্রিট এবং সেক্টর ফাইভে প্রীক জৈনের বাড়ি এবং আই-প্যাকের দপ্তর ও তার আশ পাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত সংরক্ষণ করার জন্য। 
গত বৃহস্পতিবার আই-প্যাকের মালিক প্রতীক জৈন এবং সেক্টর ৫ এ তাদের অফিসে হানা দেয় ইডি। কয়লা পাচার মামলার তদন্তের সূত্র ধরে এই হানা বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা। কিন্তু দেখা যায় ইডি প্রতীকের বাড়ি গেলে সেখানে কলকাতা এবং বিধাননগর পুলিশের দুই কমিশনার ও বিশাল বাহিনী নিয়ে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী নিজে। প্রতীকের বাড়ি ঢুকে বিভিন্ন ফাইল, ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক নিয়ে বেড়িয়ে আসেন এবং তা তৃণমূলের নামে রেজিস্টার করা একটি গাড়িতে তোলেন। তারপর সেখান থেকে যান আই-প্যাকের অফিসে। সেখানেও একই চিত্র দেখা যায়। বিবৃতি দিয়ে ইডি’র পক্ষ থেকে জানানো হয় যে মুখ্যমন্ত্রী তার সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের থেকে ফাইল সহ একাধিক নথি ছিনিয়ে নিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। দায়ের হয় মামলা, তাতে যুক্ত করা হয়েছে মমতাকে। পাল্টা ‌আই-প্যাকের দপ্তরে ইডি হানা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তৃণমূল তাতে যুক্ত করা হয়েছে ইডি এবং আই-প্যাককে।
গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হওয়ার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। সুপ্রিম কোর্টের মামলায় পার্টি হওয়ার জন্য ক্যাভিয়েট ফাইল করে রাজ্য সরকার।

Comments :0

Login to leave a comment