পঞ্চমীর সন্ধায় গৃহবধূর রহস্য মৃত্যুতে চাঞ্চল্য চুঁচুড়ার প্রতাপপুরে। মৃত গৃহবধূর নাম সানন্দা বারিক(৩৮)। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বছর ১৩ আগে নিজের পছন্দ করে বিয়ে করেছিলেন উড়িশার বালুসাই এলাকার বাসিন্দা নিজের পিসির ভাসুরের ছেলে মদন মোহন বারিককে। বাড়ির অমতে বিয়ে মেনে নিতে পারেননি সানন্দার বাবা মনোজ ভদ্র। তিনি সিআরপিএফ ছিলেন। তিনি পুলিশে অভিযোগ করেছিলেন সেই সময়। যদিও পরে বিষয়টি মেনে নিয়ে তিন মাস পর অনুষ্ঠান করে সামাজিক বিয়ে দেন।
বছর পাঁচেক আগে প্রতাপপুরেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে মদন মোহন এবং সানন্দা। তাদের দুই ছেলে মেয়ে। তারা সানন্দার মায়ের কাছে ছিলো। মদন মোহন একটি নামি শাড়ির সেলসে কাজ করেন। সেই সুবাদে প্রায় রোজ দিন কলকাতা বড় বাজারে যেতেন। স্বামীর সঙ্গে সানন্দাও যেতেন মাঝেমধ্যে। গত মঙ্গলবার তাঁরা বেরিয়েছিল। গৃহবধূর বাবা জানান রাত দশটা নাগাদ মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। বুধবার সকাল থেকে তাদের দেখা যায়নি। ঘর তালা বন্ধ দেখেন বাড়ির মালিক সানন্দার বাবা মাকে জানান। কিন্তু জামাই মেয়ের মোবাইল সুইচড অফ থাকে। তাঁরা খোঁজখবর শুরু করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘরের জানালা দিয়ে দেখা যায় মেঝেতে পরে রয়েছে সানন্দার রক্তাক্ত দেহ। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। চুঁচুড়া থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মেঝেয় পরে চাপ চাপ রক্ত। মুখ চেনা দায়। দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠানো হয় ময়না তদন্তের জন্য। ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই মদন মোহন বারিকের।
মৃতার পরিবারে দাবি দুজনের কোনো অশান্তির খবর তারা জানতেন না। তাঁরা মেয়ের মৃত্যুর জন্য জামাইকেই দায়ি করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় চাঞ্চল্য রয়েছে।
Chinsurah
গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার চুঁচুড়ায়
×
Comments :0