post editorial

জ্ঞানেশ হটাও, এসআইআর থামাও

সম্পাদকীয় বিভাগ

এমএ বেবি


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে অন্তর্তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশের পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত বিরোধী রাজনৈতিক দল, গণসংগঠনগুলির নেতা-কর্মীদের দিল্লি পুলিশ আটক করছে। এমনকি, দেশের রাজধানীতে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য সরকার অনুমোদিত স্থান যন্তর মন্তরে সমবেত হওয়ার ঘটনাকে এই আটকের কারণ হিসাবে দেখানো হচ্ছে! 
কোনও গণতন্ত্র প্রাণবন্ত এবং জীবন্ত কিনা তা বোঝার অন্যতম প্রধান নীতি হলো কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি হলো যে সংস্থা নির্বাচন করাচ্ছে তাদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং তারা জবাবদিহি করতে বাধ্য কি না। (প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার) টিএন শেষনের পর্বে বিচ্যুতি কিংবা অদ্ভূত আচরণ যাই থেকে থাক না কেন, ভারতের নির্বাচন কমিশনের যে নিরপেক্ষ কর্তৃত্ব থাকা উচিত, সেটা তখনকার সময়ে জনসমক্ষে আনা হতো। কিন্তু যখন থেকে জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্ব নিয়েছেন, তখন থেকে এর ঠিক বিপরীত ঘটনাই ঘটেছে। ভোটার তালিকা ছেঁটে ফেলার কাজে জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা ঠিক কসাইয়ের মতো। বেঁচে রয়েছেন এমন ভোটার, এমনকী যারা প্রকৃত ভোটার, তাদের নামও তিনি ভোটার তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলছেন। ভারতরত্ন সিএন রাও থেকে প্রকাশ রাজের ভোটাধিকার এভাবেই লুট করা হয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে তাঁদের নানান প্রশাসনিক বাধা পেরোতে হয়েছে। 
রীতিকা চোপড়ার অন্তর্তদন্ত, যা ২৩ সেপ্টেম্বরের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জটা এসেছে নির্বাচন কমিশনের ভেতর থেকেই। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী গত ১০ মাসে কমপক্ষে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন, তাঁদের না জানিয়ে  নির্বাচন কমিশনের নামে নেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্দেশ জারির বিরুদ্ধে। এগুলি সবই নথিবদ্ধ রয়েছে। এগুলির মধ্যে দুটি আপত্তি পৌঁছেছিল ক্যাবিনেট সচিব পর্যন্ত। যে ফরমে ভোটার তালিকায় নাম তোলা যায় সেই ৬ নম্বর ফরমে বদল আনা হয়েছিল জুলাই মাসে। তাতে উল্লেখ করতে বলা হয়েছিল ‘শেষ এসআইআর’এর সময় আবেদনকারীর বাবার বা ঠাকুর্দার নাম ভোটার তালিকায় ছিল কি না। যদিও মে মাসেই যোশী সতর্ক করেছিলেন যে এর জন্য ভোটার তালিকা নথিভুক্তিকরণ সংক্রান্ত বিধিতে সংশোধনী আনা দরকার। পরে সান্ধু একথা নথিভুক্ত করেন যে, এই বদল বিধিবহির্ভূত এবং বেআইনি। যোশী এই সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন যে, ভোটার তালিকার ডেটাবেসের বেশি বেশি করে কেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে। এবং সান্ধু বলেছিলেন যে, বিধিবদ্ধ ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও)’দের যেসব সুযোগ-সুবিধা  রয়েছে সেগুলি খর্ব করার কোনও অধিকার কমিশনের আইটি বিভাগের প্রধানের নেই। 
পশ্চিমবঙ্গে ট্রাইব্যুনালের কাছে ৩৮ লক্ষ আবেদন অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করেছে কমিশন নিজে। কমিশনই ওই সব ভোটারদের নাম বাদ দিতে বলেছে। সান্ধু জানতে চেয়েছিলেন ওই সব আবেদন কারা করেছেন। অথচ তাঁকে, যোশীকে, কিংবা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এসবের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। 
গত এপ্রিল মাসে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের কাজে আমি পশ্চিমবঙ্গে ছিলাম। তখন আমি এমন সব নির্বাচনী অফিসারদের ছবি দেখেছিলাম যাঁরা তখন নির্বাচনের কাজ সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁরাও ভোট দিতে পারেননি কারণ ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেই খবরও প্রকাশিত হয়েছিল ‘স্টেটসম্যান’এর মতো জাতীয় স্তরের সংবাদপত্রে। 
এসআইআর’এ পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে ৯১ লক্ষ লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মোট ভোটারদের প্রায় ১২ শতাংশ। এদের মধ্যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম। এই শব্দবন্ধ তখন শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্যই চালু করা হয়েছিল। যখন রাজ্যে বিধানসভা ভোট হলো তখন এদের ৯৯ শতাংশের বিষয়টি অমীমাংসিত ছিল। নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে খতিয়ে দেখার পর যত নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল সেই সংখ্যাটা জয়ী প্রার্থীদের ব্যবধানের চেয়ে বেশি। এই সব আসনের ২৬টিতে জিতেছিল বিজেপি, তৃণমূল জিতেছিল ২১টিতে এবং কংগ্রেস ২টিতে। যদিও ২০২১ সালের ভোটে এই ৪৯টি আসনের ৪৮টিতেই জিতেছিল তৃণমূল। রাজারহাট নিউটাউনে নাম বাদ গিয়েছিল ২৪,১৩২ জন ভোটারের আর সেখানে জয়ের ব্যবধান ছিল ৩১৬ ভোটের। সাতগাছিয়ায় নাম বাদ গিয়েছিল ২৬ হাজারের বেশি ভোটারের আর জয়ের ব্যবধান ছিল ৪০১ ভোট। প্রতিটি ধরনের বাদ পড়ার হিসাবকে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ২৯৪টি আসনের অর্ধেকের বেশি আসনে জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা বেশি। এ থেকে এটা প্রমাণ হয় না যে বাদ পড়া ভোটারেরা কোন দলকে ভোট দিতেন। কিন্তু যদি জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা বেশি হয়, তাহলে এ কথা বলা যায় না যে গণতন্ত্র স্বস্তিতে রয়েছে। 
মোদীর শাসনকালে এমন একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে হাতে গোনা কয়েকটি বাদে স্বাধীন ও অন্তর্তদন্তমূলক মিডিয়ার মৃত্যু হয়েছে। এটা আনন্দের খবর, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস প্রমাণ করেছে যে ভারতে অন্তর্তদন্তমূলক সাংবাদিকতা এখনও বেঁচে রয়েছে। এবং তা ক্ষমতাসীন শক্তিকে রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে চলেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কমিশনের মুখোশ খুলে দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যে তথাকথিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তাতে আসল ইস্যুগুলি উত্থাপনই করা হয়নি। এর মধ্যে একটা ইস্যু হলো মিটিংয়ের আগে আলোচনার অ্যাজেন্ডাগুলি সকলকে পাঠিয়ে দেওয়া এবং মিটিংয়ের পর মিনিটসগুলি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া। এটা অনেককে স্তম্ভিত করার মতো বিষয় যে এই নিয়মটি একটা মৌলিক বিষয় এবং ছোট বা বড় যে কোনও সংগঠন তা মেনে চলে। অথচ সেটা এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মেনে চলছে না। 
এখন আরও কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। একটা প্রশ্ন হলো, শেষ পর্যন্ত মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার (‌সিইসি)‌ এবং শেষনের পর নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করেছে শাসন বিভাগ। ১৯৫০ সালে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর থেকে এই অবস্থার জন্য দায়ী ধারাবাহিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারগুলির ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতা এটাই যে, তারা কমিশনারদের নিয়োগের ব্যাপারে সংসদে কোনও আইন জারি করতে পারেনি। সংবিধানের ৩২৪ ধারা ভারতের রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করার। এই ক্ষমতা ততক্ষণই যতক্ষণ না সংসদ কমিশনারদের নিয়োগের বিষয়ে কোনও আইন পাশ করছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনুপ বারানওয়াল একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নিয়োগের ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিচারপতি কেএম জোসেফের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে এই আরজির শুনানি হয়। এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল, যেহেতু ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনও প্রমাণ নেই তাই সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। 
এরই প্রেক্ষিতে সাংবিধানিক বেঞ্চ ২০২৩ সালের ২মার্চ সর্বসম্মতিক্রমে রায় দেয় যে, কমিশনের স্বাধীনতা শুধুমাত্র শাসন বিভাগের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না। আদালত নির্দেশ দেয় যে, ৩২৪ ধারার আওতায় সংসদ যতদিন না এবিষয়ে আইন জারি করছে, ততদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। এ ব্যাপারে তাঁকে পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং ভারতের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গড়া একটি কমিটি। সাংবিধানিক বেঞ্চ আরও বলেছিল, পদ থেকে সরানোর ব্যাপারে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যে রক্ষাকবচ রয়েছে, সংসদ যেন সেই একই রক্ষাকবচ নির্বাচন কমিশনারদেরও দেয়। দেশে সর্বোচ্চ নির্বাহী প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। সে কারণে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাতে অংশ থাকা উচিত প্রধানমন্ত্রীরও। গণতন্ত্রে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে কোনও ব্যাখ্যার অবকাশ নেই। দেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে করানো নিশ্চিত করার জন্য কাকে বেছে নেওয়া হবে এ নিয়ে যদি মতপার্থক্য দেখা দেয়, তাহলে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ দেশের প্রধান বিচারপতির উপস্থিতি মতৈক্য গড়ে তোলার পক্ষে কাজ করবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল তাকে পুরোপুরি বিসর্জন দিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। প্রাজ্ঞ, আইনসঙ্গত ও স্বচ্ছ এই পরামর্শকে আইনি চেহারা দেওয়ার বদলে মোদী সরকার প্রথমে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করে এবং তারপর একটি বিল আনে। তাতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগকে একটা রাজনৈতিকভাবে একমুখী ব্যবস্থায় পরিণত করা হয়। এর ফলে শাসন বিভাগের প্রতিনিধিত্ব দাঁড়ায় দুই–তৃতীয়াংশ এবং বিরোধী দলনেতা হয়ে ওঠেন একজন দর্শকমাত্র।  
জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ থেকে যে বিষয়টা উঠে আসছে তা হলো, সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল তা অগ্রাহ্য করার ব্যাপারে মোদী সরকারের উদ্দেশ্য জলের মতো স্পষ্ট। এটা আরও বেশি সত্যি কারণ জ্ঞানেশ কুমার এখন আচরণ করছেন একটা নাচুনে পুতুলের মতো যিনি বিজেপি’র বাজনার তালে তালে নাচছেন, যে বিজেপি-কে আবার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যাসিবাদী চরিত্রের‌ আরএসএস। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস মুখোশ খুলে দেওয়ার পর, আত্মসম্মান থাকলে জ্ঞানেশ কুমারের উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করা। যত সময় জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের পদ আঁকড়ে থাকবেন, ততই তাঁর মর্যাদা ও সততার অভাব স্পষ্ট হবে।
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও বিচারের দাবি এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবির আন্দোলনে সমস্ত অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তি শামিল হোক, সিপিআই (এম) এটাই চায়। একই সঙ্গে সিপিআই(এম) চায় যে সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের নাম ফেরানো হোক। সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের পরামর্শ মেনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করার জন্য একটা স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করার দাবির সপক্ষে আন্দোলনে সব অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই সব শক্তিগুলির নিজেদের মধ্যেকার সব ধরনের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাইকে এক হতে হবে। এই আন্দোলনকে যতদূর সম্ভব এতাবৎকালের সবচেয়ে ব্যাপক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। 
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো শুধু রাজনৈতিক দলগুলিই নয়, বরং সমগ্র নাগরিক সমাজ, জনগণের সমর্থনে এগিয়ে আসা বুদ্ধিজীবী (পাবলিক ইনটেলেকচুয়াল), শিল্পী, লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব— সকলেই এগিয়ে আসবেন এই আন্দোলনের সমর্থনে। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে পাঁচটি বামপন্থী দল—সিপিআই(এম), সিপিআই, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন, এআইএফবি ও আরএসপি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এই দলগুলির একসঙ্গে আসার একটা ঝলক আমরা দেখেছি। 
৩০ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া ব্লকের মিটিংও এই অবস্থানে একমত হয়েছে। এবং একমত হয়েছে যাতে আমাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং ভারত ভাবনাকে আমরা রক্ষা করতে পারি। এই ব্লকের সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়েছে, দেশের সব জেলায় যৌথ প্রতিবাদ সংগঠিত করা হবে। নতুন ভারতের রাজনৈতিক বিবর্তন প্রক্রিয়ায় এটা হবে একটা ঐতিহাসিক মোড় ফেরার সন্ধিক্ষণ।

সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের পরামর্শ মেনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করার জন্য একটা স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করার দাবির সপক্ষে আন্দোলনে সব অ-বিজেপি এবং অ-এনডিএ রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই সব শক্তিগুলির নিজেদের মধ্যেকার সব ধরনের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাইকে এক হতে হবে। এই আন্দোলনকে যতদূর সম্ভব এতাবৎকালের সবচেয়ে ব্যাপক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

Comments :0

Login to leave a comment