জমায়েত করা এবং প্রতিবাদ করা সব মানুষের মৌলিক অধিকার। যন্তরমন্তরে জমায়েত আটকাতে সরকার যেভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করছে তাতে সংবিধান এবং মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
দিল্লিতে বিধিনিষেধ এবং রাজ্যে রাজ্যে ধরপাকড়ের নিন্দা জানিয়ে শুক্রবার ৫ বামপন্থী দল একথা বলেছে। এদিন সিপিআই(এম), সিপিআই, সিপিআই(এম-এল), ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি'র সাধারণ সম্পাদকরা যৌথ প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করেন।
প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে ১০ অক্টোবর বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। তাকে আটকাতে দিল্লি পুলিশ সহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। পাশাপাশি, বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়া, ব্যাপক ব্যারিকেড দেওয়া, ১৪৪ ধারা জারি, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, দিল্লিগামী বিভিন্ন ট্রেন বাতিল সহ দেশের বিভিন্ন অংশ এবং সমগ্র রাজধানী অঞ্চলকে ব্যাপক নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা এসবই শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের উপর আক্রমণ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় ছাত্রছাত্রীদের আটক করা এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যালয় নজরদারি চালানো হচ্ছে।
প্রেস বিবৃতিটিতে আরও বলা হয়, এই বিধিনিষেধের ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং চরম অসুবিধায় পড়ছেন।
বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে অংশগ্রহণকারীদের ভয় দেখানো ও হয়রানি করা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, যথেচ্ছভাবে লোকজনকে আটক করা থেকে না করে তাদের যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।
five left party's joint stetment
যন্তরমন্তরে শামিল হতে দিতে হবে প্রতিবাদীদের, দাবি পাঁচ বামপন্থী দলের
ছবি- সংগ্রহ থেকে।
×
Comments :0