পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষী সংখ্যালঘুরা বিজেপির সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়, দুই উপ-নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমান। লুঠের উপ-নির্বাচন জেতার পর নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপ-নির্বাচনে ১ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী হাঁসিরানি রথ। রেজিনগর উপ-নির্বাচনে ৭২ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছে হাঁসিরানি রথ। সব থেকে উল্লেখ যোগ্য ২০২১ সালের পর এই প্রথম সংখ্যালঘু এলাকার ৬০টি বুথে নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছে বিজেপি।’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নন্দীগ্রামে ৮০ শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষ এবং রেজিনগরে ৬০ শতাংশ সংখ্যালঘু বিজেপিকে সমর্থন করেছে।
উল্লেখ্য এই দুই কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটলুঠ করার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। রেজিনগরে সিপিআই(এম) প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘নির্বাচন ভালো ভাবে হয়েছে। কোথাও কোন পুননির্বাচনের কথা ওঠেনি।’ তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের ভুল বোঝানো হয়েছিল। তাদের বলা হয়েছিল বিজেপি এলে সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। মুসলিম সম্প্রদায় সেই সব প্রচারকে আজ মিথ্যা প্রমান করেছেন।’ তিনি দাবি করেন সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের জন্য তার সরকার কাজ করছে। একদিকে যখন তিনি এই কথা বলছেন তখন তার সরকার মাদ্রাসা তুলে দেওয়া জন্য বিল আনতে চলেছে বিধানসভায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মহিলাদের বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডার।
Suvendu Adhikari
লুঠের উপ-নির্বাচন জিতে শুভেন্দুর মুখে সংখ্যালঘু স্তুতি
×
Comments :0