DA

শূন্য হাতেই ফিরেছে ৪টি কর্মী সংগঠন

সম্পাদকীয় বিভাগ

শ্যামল কুমার মিত্র


‘কর্মচারীদের অধিকার’- এর প্রশ্নে আলোচনার আগে জেনে নেওয়া দরকার, বামফ্রন্ট যখন সরকার পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা কী কী অধিকার পেতেন। (১) মহাকরণ (সে সময়ে প্রশাসনের হেড কোয়ার্টার) সহ সমস্ত সরকারি ভবনের ভিতরে সরকারের বিরুদ্ধে কর্মীদের দাবির পক্ষে মিছিল, মিটিং, দপ্তরে দপ্তরে স্কোয়াড, বিক্ষোভ প্রদর্শন, পোস্টারিং সহ ট্রেড ইউনিয়ন কার্যকলাপ করা যেত । তীব্র ভাষায় সরকারের সমালোচনা করতে পারতেন কর্মচারী আন্দোলনের নেতারা। (২)মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রী সহ অন্য মন্ত্রী এবং পদস্থ আধিকারিকরা কর্মীসংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতেন। (৩) অলিখিত নীতিতে কর্মী সংগঠনগুলির রাজ্য, জেলা, বিভাগীয় কমিটির শীর্ষ পদাধিকারীদের ‘protected Worker’ হিসাবে সংশ্লিষ্ট হেড কোয়ার্টারে পোস্টিং দিতেন, সাধারণত তাঁদের হেড কোয়ার্টারের বাইরে বদলি করা হতো না (যুব কল্যাণ দপ্তরের মতো বেশ কিছু দপ্তরে লিখিত আদেশনামাও ছিল)। (৪) তখন মহাকরণের সংরক্ষিত এলাকায় মন্ত্রী ও উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা বসতেন। ওই সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধি-নিষেধ ছিল। প্রত্যেকটি স্বীকৃত কর্মীসংগঠনকে বিনা বাধায় সংরক্ষিত এলাকায় যাওয়ার জন্য ৫ টি করে প্রোটেকটেড এরিয়া পাশ দেওয়া হতো। (৫) প্রত্যেক কর্মী সংগঠনের রাজ্য, জেলা, বিভাগীয় সংগঠনের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের সম্মেলনের দিনগুলি সহ দূরত্ব অনুসারে যাতায়াতের জন্য ১/২/৩/৪ দিন পর্যন্ত সবেতন ছুটি দেওয়া হতো। (৬) প্রশাসনিক ভবনগুলির বাইরে মিছিল, মিটিং, বিক্ষোভ, জমায়েত, অবস্থান সহ আন্দোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে একটা আগাম জানান দেওয়াই যথেষ্ট ছিল, কোনও ‘আগাম অনুমোদন’-এর প্রয়োজন ছিল না। রাজপথে আন্দোলন করার জন্য আমাদের আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে হতো না। (৭) যে সব কর্মচারী সংবাদপত্রে কলম লিখতেন, বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমে আলোচনায় হাজির থাকতেন,পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করতেন, তাঁদের যাতে কোনও চাকরি বিধিগত/আইনি সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়, সেজন্য কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার বিভাগে আবেদন করলে, অনুমতি পত্র দেওয়া হতো। এই কলমচি সেই অনুমতি পত্র সংগ্রহ করে বামফ্রন্ট শাসনে বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক নিবন্ধে টিভি প্রোগ্রামে তীব্র সমালোচনা করেছে । (৮) এমনকি বামফ্রন্ট শাসনের শেষ এক দশকে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ (বর্তমান সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নয়) এবং মহাকরণ সংগ্রাম কমিটির নেতৃত্বে সরকার বিরোধী কর্মী আন্দোলন খোদ মহাকরণে, আক্ষরিক অর্থে, ‘প্রশাসনহীনতার আবহ’ তৈরি করেছিল, তখনও বামফ্রন্ট সরকার তা বন্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। (৯) বিরোধী কর্মী সংগঠনগুলির মুখপত্র সরকারি বিজ্ঞাপন পেতেন। সব মিলিয়ে বামফ্রন্ট আমলে কর্মচারীরা নিঃসন্দেহে যথেষ্ট স্পেস পেয়েছিলেন তাঁদের গণতান্ত্রিক ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারের সপক্ষে।                                                                            

 ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার উপরে বর্ণিত সমস্ত অধিকার’গুলি কেড়ে নিলেন। ২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি পুলিশ কর্মীদের অ্যাসোসিয়েশন/ইউনিয়ন করার অধিকার নিষিদ্ধ করলেন, পরে আরও ৬টি দপ্তরে এই নির্দেশ কার্যকর হলো । ১৯২৩ সাল (ব্রিটিশ সরকারের আমলে) থেকে ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ কর্মীরা ইউনিয়ন/অ্যাসোসিয়েশন করে এসেছেন বিনা বাধায়। স্পষ্ট হলো কর্মীদের অধিকারের প্রশ্নে তৃণমূল সরকার ব্রিটিশ সরকারের থেকেও খারাপ । ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির ধর্মঘট ভাঙতে ‘ব্রেক অব সার্ভিস’- এর মতো অস্ত্রের প্রয়োগ হলো। ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর অফিস কুৎসিত অসত্য অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর করলেন আমার এবং মলয় মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, যা অতীতে কখনো কোনও সরকার করেনি। ২০১৩ সালে সরকারি আদেশনামা প্রকাশ করে তৃণমূল সরকার নবান্ন সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কোনও ইউনিয়ন/অ্যাসোসিয়েশন/গ্রুপ অব এমপ্লয়িজ-এর যে কোনও ধরনের মিটিং/মিছিল/ডেমনোস্ট্রেশন ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন । সচিবালয়ের প্রতিবাদী কর্মীদের সবক শেখাতে ‘ডিটেইলমেন্ট’-এর মতো কুখ্যাত কালাকানুন আনা হলো। অসচিবালয়ের প্রতিবাদী কর্মীদের ক্ষেত্রে ‘প্রতিহিংসা মূলক বদলি’ সুনামির কায়দায় প্রয়োগ হলো।
গত ১ জুন রাজ্য সরকারের নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ৪টি কর্মচারী সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আমি এই সব কালাকানুন প্রত্যাহারের দাবি জানাই। উনি বিষয়টি সম্পর্কে কোনও বক্তব্য না জানিয়ে বলেন, ‘‘এই সরকার কর্মীবান্ধব হিসাবেই কাজ করবে।’’ অর্থাৎ এ বিষয়ে কোনও সদর্থক প্রতিশ্রুতি মেলেনি। আমি সুনির্দিষ্ট ভাবে প্রস্তাব দিই কর্মীপক্ষ ও সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটি’ গঠনের, যে কমিটি নিয়মিত বৈঠকে বসে কর্মীদের সমস্যা, দাবি ইত্যাদি শুনবেন, সরকারের বক্তব্য কর্মীপক্ষ জানবেন। মুখ্যমন্ত্রী এই প্রস্তাব মেনে না নিয়ে বললেন, ‘‘আমি আপনাদের সঙ্গে বছরে অন্তত ২ বার বসব। সিএস, এফএস সহ উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা আপনাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন’’ কেন্দ্র ও অন্য একাধিক রাজ্যে এই ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটি’ আছে, ফলে তাঁরা নিয়মিত সরকারের কাছে তাঁদের বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার একটা সরকারি মেশিনারির সুযোগ ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের ‘সরকারি মেশিনারি’র বিকল্প মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা প্রসূত আলোচনার আশ্বাস’ হতে পারে না। আমি গত ১৯ মে মুখ্যসচিবের আদেশনামা নম্বর: ১৩৯ সিএস প্রত্যাহার করার দাবি করি। এই আদেশনামায় বলা হয়েছে সরকারের আগাম অনুমোদন ছাড়া কোনও সরকারি কর্মচারী সরকারের সমালোচনা করে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলতে পারবেন না। স্পষ্টতই এই কালা সার্কুলার কর্মীদের বাক্‌স্বাধীনতা হরণের প্রয়াস। ডিআরও রুলসে বলা হয়েছে, সরকারকে আগাম জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলা যাবে। কিন্তু আলোচ্য আদেশনামায় সরকারের ‘prior approval’-এর কথা বলা হয়েছে (এই বিষয়টি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষও বলেন)। দু’টি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। সরকার কখন আশঙ্কা করেন যে কর্মীরা সরকারের সমালোচনা করবেন, যখন সরকার কর্মীস্বার্থ বিরোধী নীতি, কর্মসূচি এবং সিদ্ধান্ত নেন। তাই কর্মীদের বাক্‌ স্বাধীনতা হরণে এই ধরনের কালা সার্কুলার জারির কারণ এটা হতেই পারে যে অদূর ভবিষ্যতে সরকার এমন এক/একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন যা কর্মীরা/কর্মী নেতারা সরকারের সমালোচনা করতে বাধ্য হন। এটাই আতঙ্কের। মুখ্যমন্ত্রী এই সার্কুলার প্রত্যাহার করতে রাজি হননি। তিনি বলেছেন, ‘‘আপনাদের বিরুদ্ধে এই সার্কুলার প্রয়োগ হবে না।’’ এ ধরনের কালা সার্কুলার থাকলে তার প্রয়োগ/অপপ্রয়োগ খুবই সম্ভব। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা সম্পর্কে সম্মান রেখেই বলছি এই কালা সার্কুলার প্রত্যাহারের বিকল্প মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা প্রসূত আশ্বাস হতে পারে না।                                                                                        

১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর অর্থ দপ্তরের মেমোরান্ডাম নম্বর: ৫৪২৮-এফএ বলা হয়েছিল যে, পূর্ত, পূর্ত (সড়ক), সেচ, পিএইচই, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ইত্যাদি দপ্তরে বড় সংখ্যায় ‘ওয়ার্ক চার্জড’ কর্মীরা আছেন। ওই মেমোরান্ডামে আরও বলা ছিল ৩ বছর কাজ করেছেন এমন কোনও ‘ওয়ার্ক চার্জড’ কর্মীকে ছাঁটাই করা যাবে না, এঁদের ‘Quasi-permanent staff’ হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। ১৯৭৪ সালে অর্থ দপ্তরের মেমোরান্ডাম নম্বর: ৪০২৬-এফএ বলা হলো, ‘‘(১)..the contingency staff with a minimum continuous service of 3 years shall be entitled to all benifits to quasi permanent staff. (২)...the work charged staff with a minimum period of 10 years continuous service shall be absorbed in the regular establishment against vacancies and also by creation of extra posts in regular establishment with abolition of equal number of posts in the work charged establishment.’’  ২০১১ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ‘ওয়ার্ক চার্জড’ কর্মীরা এই আদেশনামা অনুসারে স্থায়ী হয়ে আসছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালের ২০ জুলাই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সরকার অর্থ দপ্তরের আদেশনামা নম্বর: ৭৩১৫-এফ(পি) নামে একটি কালা সার্কুলার জারি করে ‘ওয়ার্ক চার্জড’ কর্মীদের এই অধিকার কেড়ে নিলেন। ফলে ওই দিন থেকে আজ পর্যন্ত ‘ওয়ার্ক চার্জড’ কর্মীরা স্থায়ী পদে নিযুক্ত হওয়ার ‘অধিকার’ ফিরে পাননি। সব থেকে বড় কথা, সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় ভুল ভাবে ব্যাখ্যা করে এই কুখ্যাত আদেশনামা তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ‘কর্নাটক রাজ্য বনাম উমাদেবী অ্যান্ড আদার্স’ মামলায় বলেছিলেন’’...With a view to make the procedure for seletion fair, the Constitution by Article 315 has created a P.S.C.for the Union and P.S.C.s for the States’’। এই রায়ের কোথাও রাজ্য সরকারের বিধি (সংবিধানের ৩১১ নম্বর ধারায়) মেনে নিয়োগ, কোনও ক্যাডারের স্থায়ীকরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়নি। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে পুরো বিষয়টা বলে অর্থ দপ্তরের আদেশনামা নম্বর: ৭৩১৫-এফ(পি) তাং: ২০.০৭.২০১১ বাতিল করার দাবি জানাই। কোনও প্রতিশ্রুতি মেলেনি। অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মেনে বছরে দু’বার ডিএ/ডিআর দেওয়ার সপক্ষে একটি ‘স্ট্যা্ন্ডিং অর্ডার’ প্রকাশ করার প্রস্তাব আমি দিয়েছিলাম, যে প্রস্তাবের পক্ষে কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি মুখ্যমন্ত্রী। নিয়মিত এআইসিপিআই মেনে ডিএ/ ডিআর বিষয়ে ‘মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা’ কখনও ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’- এর বিকল্প হতে পারে না। ফলে কর্মচারীদের ‘অধিকার’- এর প্রশ্নে এই বৈঠকের পরেও অবস্থা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলের মতই রয়ে গেল। 
সাড়ে ৫ লক্ষাধিক চুক্তি নিযুক্ত কর্মীদের প্রসঙ্গে ২ টি প্রস্তাব এসেছিল। আমি হরেক নামের চুক্তি ভিত্তিক কর্মীদের করুণ অবস্থার তথ্য তুলে ধরে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, সমকাজে সমবেতনের ভিত্তিতে এই সাড়ে ৫ লক্ষাধিক চুক্তি নিযুক্ত কর্মীদের বেতন সংশোধন এবং তাদের মেডিক্যাল, পিএফ, পেনশন সহ সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনুন সরকার। এপ্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সাড়ে ৫ লক্ষাধিক চুক্তি নিযুক্ত কর্মীকে স্থায়ী করলে নতুন নিয়োগ করতে পারব না। স্থায়ীকরণ হচ্ছে না। তবে এদের বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’’ ফলে এই সাড়ে ৫ লক্ষাধিক চুক্তিনিযুক্ত কর্মীর অসহায়তা দূরীকরণে কোনও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মিলল না। এই দুটি বিষয়ে আমাদের শূন্য হাতেই ফিরিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একথা স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন যতদিন না ‘অধিকার’ হিসাবে ডিএ/ডিআর-কে মান্যতা দেবে না সরকার, ততদিন এই বঞ্চনা মিটবে না। মনে রাখা দরকার ‘মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা’ নামক বস্তুটি এআইসিপিআই মেনে ডিএ/ ডিআর দেওয়ার পথ নয়,’স্ট্যান্ডিং অর্ডার’ই একমাত্র নিশ্চয়তা দিতে পারে। কারণ ‘মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা’ বস্তুটি বড়ই চঞ্চল, খুবই পরিবর্তনশীল।

Highlights
সাড়ে ৫ লক্ষাধিক চুক্তিনিযুক্ত কর্মীর অসহায়তা দূরীকরণে কোনও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মিলল না। ফলে এই দুটি বিষয়ে আমাদের শূন্য হাতেই ফিরিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একথা স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন যতদিন না ‘অধিকার’ হিসাবে ডিএ/ডিআর-কে মান্যতা দেবে না সরকার, ততদিন এই বঞ্চনা মিটবে না। ...‘মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা’ বস্তুটি বড়ই চঞ্চল, খুবই পরিবর্তনশীল।

Comments :0

Login to leave a comment