Palghar Gherao

বিশাল পদযাত্রা, জেলা শাসকের দপ্তর ঘেরাও, দাবি আদায় পালঘরে

জাতীয়

রাতভর জেলা শাসকের দপ্তর ঘিরে রেখেছিল প্রায় ৫০ হাজারের জমায়েত। শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রশাসন। সিপিআই(এম) নেতৃত্বের দাবি মেনে সময় বেঁধে দাবি পূরণের লিখিত আশ্বাস দিতে হলো পালঘর জেলা প্রশাসনকে।
গত ১৯ জানুয়ারি চারোটি থেকে পালঘর জেলা সদর অভিমুখে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ পার হয় এই জমায়েত। নেতৃত্ব দেন সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য অশোক ধাওলে, দাহানুর বিধায়ক বিনোদ নিকোলে। 
দাবি ছিল, চাষ যাঁরা করছেন তাঁদের জমির অধিকার দিতে হবে। কৃষকদের জমির অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। স্মার্ট মিটার বাতিল, বনাঞ্চলে জমির অধিকার আইনের প্রয়োগের মতো দাবি নিয়েও সরব হয় মিছিল। 
ধাওলে জানিয়েছেন, জেলা শাসক বাধ্য হন আলোচনায় বসতে। প্রায় সাত ঘন্টা চলে আলোচনা। সময় বেঁধে দাবি পূরণের লিখিত আশ্বাস দেন জেলা শাসক। 


সিপিআই(এম’র ডাকে এই কর্মসূচিতে শামিল ছিল সারা ভারত কৃষক সভা, সিআইটিইউ, সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি, ডিওয়াই, এসএফআই এবং আদিবাসী অধিকার রাষ্ট্রীয় মঞ্চ। 
পালঘটের আটটি মহকুমা থেকে বিপুল সংখ্যায় গ্রামবাসী যোগ দেন মিছিলে। 
ধাওলে জানান এদিন আলোচনায় জেলাশাসক বনাঞ্চলে জমির অধিকার আইন প্রয়োগের বিষয়টিতে ইতিবাচক ভূমিকা নেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন বনাঞ্চলে রয়েছে এমন বিভিন্ন পরিবার, বিশেষ করে আদিবাসীরা জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত। কেন্দ্রে প্রথম ইউপিএ সরকারের মেয়াদে এই আইন হয়। যার পক্ষে সবচেয়ে সরব ছিলেন বামপন্থীরা। বিজেপি সরকারে আসীন হওয়ার পর এই আইনে প্রয়োগ প্রায় বন্ধ রয়েছে। 
এদিন আলোচনায় ঠিক হয়েছে বনঞ্চলের জমির অধিকার আইনে জানানো ঝুলে থাকা সব আবেদনের নিষ্পত্তি ৩০ এপ্রিল করবে জেলা প্রশাসন। 
পাশাপাশি ঠিক হয়েছে যে বেনামে বা পতিত জমির নথিভুক্তি সঠিকভাবে করবে জেলা প্রশাসন। প্রকৃত কৃষকদের যাতে তা বিলি করা যায়। 
এই পদযাত্রায় অংশ নেন সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য বিজু কৃষ্ণান, মারিয়ম ধাওলে, কৃষকসভার রাজ্য সম্পাদক অজিত নাওলেও।

Comments :0

Login to leave a comment