Rishra

রিষড়ায় অশান্তি জিয়ে রাখতে চাইছে বিজেপি এবং তৃণমূল

রাজ্য

রিষড়ায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাকে ফের উস্কানি দিতে চাইছে বিজেপি। সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রিষড়ায় ‘আক্রান্তদের’ সাথে দেখা করতে গেলে তাঁকে আটকায় পুলিশ। এদিন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ট্রেনে করে রিষড়া যেতে গেলে স্টেশনেই তাঁকে আটকে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য সোমবার দিল্লিতে লকেট যেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন সেখান থেকে তিনি এবং কয়েকজন বিজেপি সাংসদ এমন কিছু মন্তব্য করেন যাতে ফের নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। রিষড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে লকেট দাবি করতে থাকেন যে রিষড়ায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনায় শুধুমাত্র হিন্দুরা আহত হয়েছেন। 


লকেট যাওয়ার আগে এদিন রিষড়ায় যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল মন্তব্য করেন যে প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত কে আটকাতে চাইছে ‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেড’। বিজেপি আরএসএসের কথায় মাঝে মধ্যেই টুকরে টুকরে গ্যাঙয়ের কথা শোনা যায়। রাজ্যপালের এই মন্তব্য তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন অনেকে। রাজ্যপাল জানান যে ঘটনার সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তবে রাজ্যপাল রিষড়ায় গেলেও হাওড়ায় তিনি যাননি। 
রামনবমীর মিছিলের নাম করে হাওড়া এবং রিষড়ায় যেই ঘটনা ঘটেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোন শান্তি মিছিল বা শান্তি বজায় রাখার আবেদন করা হয়নি। উল্টে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিচ্ছে দুই দল।  


শিবপুরের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা পর রবিবার রামফ্রন্টের পক্ষ থেকে যখন শান্তি মিছিলের ডাক দেওয়া হয় পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি। বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত সভা করা হয় হাওড়ায়। 
সাধারণ মানুষের মধ্যে যখন তৃণমূলের দুর্নীতি এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে তখন নজর ঘোরাতে সাম্প্রদায়িক উস্কানিতে মদত দিচ্ছে দুই দল।

Comments :0

Login to leave a comment