Arambagh Bishop

আরামবাগে বিশপের পরিবারের উপর হামলার তীব্র নিন্দা বেবির

রাজ্য

জোর করে ধর্মান্তকরণের মিথ্যা অভিযোগে সঙ্ঘ পরিবারের সাম্প্রদায়িক বাহিনীর হাতে সম্প্রতি আরামবাগের একটি চার্চের বিশপের পরিবারের ওপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। কিছুদিন আগে এক রবিবারের প্রার্থনার দিনে বিশপ অনিল কুমার ভৌমিক এবং তাঁর স্ত্রী-কে হিন্দুত্ববাদীরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ। সিপিআই(এম)’র সাধারণ সম্পাদক এই খবর পেয়ে আক্রান্ত বিশপের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং হামলার নিন্দা করে তাঁর পরিবারের পাশে পার্টিকর্মীরা থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। 
বিজেপি’র শাসনকালে দেশের নানা প্রান্তে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপরে আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। মুসলিমরা তো বটেই, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজনও রেহাই পাচ্ছেন না। অতীতে ওডিশায় খ্রিস্টান মিশনারিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা স্মরণ করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষ থেকে অনেকেই ক্রমবর্ধমান আক্রমণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার নজির ছিল না, সম্প্রীতির ঐতিহ্যই এখানে ছিল। কিন্তু সম্প্রতি এ রাজ্যেও বেশ কিছু জায়গায় খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়গুলিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে এম এ বেবি বলেছেন, ‘আরামবাগে আক্রান্ত বিশপ অনিল কুমার ভৌমিকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। রবিবারের প্রার্থনা থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে সঙ্ঘ পরিবারের গুন্ডারা মারধর করেছিল। জোর করে ধর্মান্তকরণের মিথ্যা অভিযোগ করে হামলা চালায় তারা। স্থানীয় পুলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদীরা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে ধ্বংস করতে সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলে আক্রমণ করছে। আমরা সমস্ত গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন মানুষের কাছে আবেদন করছি এই হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানুষের মধ্যে মৈত্রীর বন্ধন অটুট রাখতে এগিয়ে আসার জন্য।’

Comments :0

Login to leave a comment