Anil Ambani CBI

অনিল আম্বানির ১.৩ লক্ষ কোটি জালিয়াতির তদন্তে সিবিআই-ইডি’র রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

জাতীয়

বিপুল সম্পত্তির মালিক অনিল আম্বানির ব্যাঙ্ক জালিয়াতির তদন্তে সিবিআি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে। শুক্রবার শীর্ষ আদালত দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার থেকে তদন্তে অগ্রগতির বিশদ রিপোর্ট তলব করেছে। 
অনিল আম্বানির মালিকানাধীন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স কমিউনিকেশনের বিরুদ্ধেই ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ সবচেয়ে গভীর। প্রায় ১ লক্ষ ৩০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ প্রথম করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ব্যাঙ্ক অব বরোদা কর্তৃপক্ষ। সিবিআই’র কাছে অভিযোগ জানানো হয় ২০২০ সালে। ২০২৫’র জুনে এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। কিন্তু সেখানেও সংশ্লিষ্ট সরকারি পদে আসীন কারও নাম করা হয়নি। 
এদিন সুপ্রিম কোর্টে এই মর্মে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকে প্রাক্তন সচিব স্তরের আধিকারিক ইএএস শর্মার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় সওয়াল করেন তিনি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে চলছে শুনানি। 
প্রশান্ত ভূষণ আদালতে বলেছেন, ব্যাঙ্কের টাকা ঋণ হিসেবে নিয়ে এই ব্যবসায়িক গোষ্ঠী যে নানা পথে তা পাচার করে দিয়েছে ব্যাঙ্ক অব বরোদা তা অডিট রিপোর্ট দেখে বুঝতে পেরেছিল ২০২০-তে। তা’হলে সিবিআই এতদিন ধরে ঠিক করছে। তদন্তের গতিপ্রকৃতিতে আদালতের নজর দেওয়া উচিত। 
এই সওয়ালের পরই বিচারপতিরা বলেন যে এখনও তদন্ত শেষ হয়নি। ফলে তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে তা জানিয়ে বন্ধ খামে স্ট্যাটাস রিপোর্ট নেওয়া দরকার। অনিল আম্বানিকেও ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা দিয়ে বক্তব্য জানানোর জন্য বলেছে শীর্ষ আদালত। 
জনস্বার্থ আবেদনে বলা হয়েছে, রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস বা আরকম এবং তার বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ২০১৩ থেকে ২০১৭  পর্যন্ত ৩১, ৫৮০ কোটি টাকা সরানো হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কনসর্টিয়াম থেকে নেওয়া হয় এই ঋণ। স্টেট ব্যাঙ্কের ফরেনসিক অডিটে দেখা যায় বিপুল অঙ্কের ঋণ অন্য সংস্থার মাধ্যমে স্রেফ পাচার করে দেওয়া হয়েছে। শিল্পে বিনিয়োগের নামে নিজেরা মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা খাটিয়েছে। বিদেশেও সরানো হয়েছে টাকা।

Comments :0

Login to leave a comment