ক্যানিংয়ের মহিলা হোম গার্ডের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে। অভিযুক্ত এসআই সায়ন ভট্টাচার্য ক্যানিং থানাতেই সাব-ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁকে ‘খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না’ বলে জানিয়েছিল পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের স্বরূপনগর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদক মোনালিসা সিনহা ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষীর সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন।
সূত্রের খবর গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত এসআই সায়ন ভট্টাচার্যকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছে। হেপাজতের জন্য আবেদন করা হয়েছে আদালতে।
গত শনিবার ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়াটার থেকে মহিলা হোম গার্ডের দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। উদ্ধার করা হয় দেহ। একাধিকবার তার পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়েছে এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে না। তাঁকে খুন করা হয়েছে। ধৃত ওই এসআই’র বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছে মৃতার পরিবার।
গত সোমবার ক্যানিং থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। বৃহস্পতিবার মোনালিসা সিনহা বলেন, "প্রথমে পুলিশের তরফেই বলা হচ্ছিল যে অভিযুক্তকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা যেদিন বিক্ষোভ সংগঠিত করি সেদিনও থানার আইসি আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চাননি। আমরা সঠিক তদন্ত ও দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।"
সিনহা আরও বলেছেন, "এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, গোটা রাজ্যেই নারী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। সরকারের কোন সদিচ্ছাই নেই নিরাপত্তার নিয়ে। প্রশাসনিক স্তরে কর্মরত একজন মহিলার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। তা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল কিন্তু আমরাই দাবি করেছি এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।"
ঘটনার পর বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ছয়জনের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।
AIDWA CANNING
মহিলা হোম গার্ডের মৃত্যুতে অভিযুক্ত এসআই গ্রেপ্তার, কঠোর সাজার দাবি মহিলা সমিতির
×
Comments :0