Maharashtra

শক্তিপীঠ এক্সপ্রেসওয়ের জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদ, আটকাল মন্ত্রীর কনভয়

জাতীয়

প্রস্তাবিত শক্তিপীঠ এক্সপ্রেসওয়ের জন্য কৃষিজমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি শহরে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েকশো কৃষক। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন বহু মহিলা কৃষকও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
হিঙ্গোলির শহিদ স্মারক পার্কের কাছে এই বিক্ষোভ হয়। সেখানেই মারাঠওয়াড়া মুক্তি দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাজ্যের মন্ত্রী নারহরি জিরওয়ালের। অনুষ্ঠানের দিকে যাওয়ার রাস্তার উপর অবস্থান নিয়ে কৃষকেরা মন্ত্রীর কনভয়ের পথ আটকে দেন। পাশাপাশি, তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।
বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করে পুলিশ। সেই সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সামান্য ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েকজন বিক্ষোভকারী পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে দেন।
কৃষকদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত শক্তিপীঠ এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে তাঁদের উদ্বেগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন মন্ত্রী জিরওয়াল। কিন্তু সেই আশ্বাস সত্ত্বেও এখনও তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়নি।
নাগপুর-গোয়া শক্তিপীঠ এক্সপ্রেসওয়ে একটি গ্রিনফিল্ড প্রকল্প। প্রস্তাবিত এই সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০২ থেকে ৮১০ কিলোমিটার। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ৮৬,৩০০ কোটি থেকে ১ লক্ষ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর মারাঠওয়াড়া মুক্তি দিবস পালিত হয়। ১৯৪৮ সালের এই দিনে মধ্য মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চল, যার মধ্যে হিঙ্গোলি জেলাও রয়েছে, হায়দরাবাদের নিজামের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন ভারতের অংশ হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করেই দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

Comments :0

Login to leave a comment