হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদে শামিল। আরেকদিকে হাজার হাজর সশস্ত্র পুলিশকে মোতয়েন করা হয়েছে। আসল উদ্দেশ্য ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা। আমরা এই বাধার সঙ্গে লড়াই করব। সুপ্রিম কোর্টও বলেছে যে কাউকে যন্তরমন্তরে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কিন্তু বন্ধ করা যায় না। শুক্রবার দিল্লির হরকিষান সিং সুরজিত ভবনে সাংবাদিক সম্মেনল করে কথাগুলি বলেছেন সিপিআই(এম)’র সাধারণ সম্পদক এম এ বেবি। ছিলেন এসএফআই’র যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ।
তিনি বলেন, সব মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে রেখেছে। আমরা সরকারকে বলতে চাইছে কারও ক্ষমতাই অসীম নয়। সলিসিটর জেনারেল সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বাধা না দেওয়ার এই মনোভাবকে সরকারের সংশ্লিষ্ট স্তরে জানানো হবে।
বেবি বলেন, ১৯৮১ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির প্রাণ কেন্দ্রে আমরা মিছিল করেছি, জনসভা করেছি। এমন বহু সমাবেশ হয়েছে। পরে যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ হয়েছে। কোথাও প্রতিবাদ করতে দেব না, এই মনোভাব পুরোপুরি স্বৈরাচারী। গণতন্ত্রের পক্ষে সংগ্রাম সংবিধানের অনুসারী কাজ।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ও যন্তর মন্তরে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। ১০ অক্টোবর আন্দোলন কর্মসূচি রয়েছে যন্তর-মন্তরে। তার আগেই ট্রেন-বাসে বিধিনিষেধ, জমায়েত বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই প্রসঙ্গে ঐশী বলেন যে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। ছাত্রদের ধরে মাঝপথে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হোটেলে বন্ধ করে রাখা হচ্ছে। গৃহবন্দি করা হচ্ছে ছাত্র এবং যুব নেতা নেত্রীদের। উত্তর প্রদেশ, বিহার, গুজরাট থেকে মহারাষ্ট্রে এমন চলছে। তিনি জানান, চিঠি পাঠানো হয়েছে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায়। যন্তরমন্তর বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট রয়েছে। তা’হলে নতুন করে অনুমতি চাইব কেন? এখন সরকার বিক্ষোভ করতে দিতে অস্বীকার করলে, তিনি প্রশ্ন তোলেন পুলিশ অস্বীকার করলে ছাত্ররা বিক্ষোভ দেখাবে কোথায়?
ঐশী আরও বলেন, নাগরিকদের অসুবিধা করছে পুলিশ এবং প্রশাসন। ট্রেন বাতিল করে হাজার হাজার মানুষকে অসুবিধায় ফেলা হচ্ছে। তার উদ্দেশ্য মানুষ যাতে যন্তরমন্তরে আসতে না পারে। কাল বহু মানুষ আসবেন। ছাত্রযুবরা আসবেন। ভয় দেখিয়ে প্রতিবাদ জমায়েত আটকে রাখা যাবে না।
এক প্রশ্নে বেবি বলেন, এই আন্দোলন এখন ছাত্র যুব এবং গণতান্ত্রিক মনোভাবের মানুষের হাতে। যন্তরমন্তরে আগের প্রতিবাদেও এই বিষয়টি দেখা গিয়েছিল।
জ্ঞানেশ কুমামর কে বেআইনি সুরক্ষা দিতে স্বৈরাচারের রাস্তায় চলছে এই সরকার। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে ফর্ম-৬ বদলানোর অধিকার মুখ্য নির্বাচন কমিশনের নেই। তারপরও তিনি পদ ছাড়ছেন না।
M A Baby
জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে স্বৈরাচারের পথে চলছে সরকার, বিক্ষোভ দমানো যাবে না, বেবি
×
Comments :0