শনিবার দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর দিল্লি পুলিশের ব্যাপক দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানাল সিপিআই(এম) পলিটব্যুরো।
পলিটব্যুরোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ব্যাপক ভোটাধিকার হরণের কারণ হয়ে ওঠা এসআইআর প্রক্রিয়া প্রত্যাহার এবং অন্যান্য নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে আজ দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন প্রতিবাদকারীরা।
অভিযোগ, কার্যত কারফিউ জারি করে এই বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করা হয়েছে। শহরে ইন্টারনেট বন্ধ, মেট্রো স্টেশন বন্ধ, সমস্ত পরিবহন ব্যবস্থা স্তব্ধ করে দেওয়া সহ সমস্ত ধরনের দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন।
যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করার সময় সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, পলিটব্যুরো সদস্য ও কেরালার বিরোধী দলনেতা পিনারাই বিজয়ন, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত, পলিটব্যুরো সদস্য এম ভি গোবিন্দন, এ বিজয়রাঘবন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে কে শৈলজা, পি কে শ্রীমতী, টমাস আইজ্যাক, কে এন বালাগোপাল, পি রাজীব, জন ব্রিটাস সহ বহু শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত রোডে হরকিষাণ সিং সুরজিৎ ভবন থেকে মিন্টো রোডের দিকে মিছিল করার সময় পলিটব্যুরো সদস্য বি ভি রাঘবুলু, অরুণ কুমার, বিজু কৃষ্ণন, মারিয়ম ধাওয়ালে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ আর সিন্ধু, লোকনাথন সহ অন্যান্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রবীণ নেতা মানিক সরকারও গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন।
সিপিআই(এম)-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যাপক বিক্ষোভে নরেন্দ্র মোদী সরকার যে ভীত হয়ে পড়েছে তা স্পষ্ট। এই ধরনের দমনমূলক ব্যবস্থা রাস্তায় নামা মানুষকে দমাতে পারবে না। দিল্লিতে পার্টি অফিসের সামনে ব্যাপক পুলিশি নজরদারি ও বিশাল পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে।
ক্ষমতা ও শক্তি প্রদর্শনের মোহে বিজেপি সরকার চরম কাপুরুষতা এবং গণতান্ত্রিকভাবে শাসন পরিচালনার সম্পূর্ণ অক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পলিটব্যুরো।
Comments :0