BLO jumps

এসআইআর'র চাপে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলও'র

জেলা

ছবি- এসআইআর এর কাজের চাপ, শ্রীরামপুরে গঙ্গায়ে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বিএলও ।

শনিবার অনলাইনে সমস্ত নথি আপলোড করার শেষ দিন ছিল। বিএলও মহঃ কায়ামুদ্দিন টিটাগড়ের বাসিন্দা, পেশায় স্কুল শিক্ষক। এই  অনলাইন আপলোডের কাজে সরগরো নয় তিনি। আজ শ্রীরামপুর এসে লঞ্চ থেকে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি ।
এসআইআর এর চাপ সামলাতে পারছিলেন না বলে দাবী তার।ফেরিঘাটের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে।

বেলা সারে এগারোটা নাগাদ হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুর ফেরি ঘাটে যাওয়ার সময় তিনি মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন। লঞ্চে থাকা কর্মীরা তৎক্ষনাৎ তাকে উদ্ধার করে।
তিনি ১৩৯নং বুথের বিএলও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ওই বুথে ১২৪৫ জন ভোটার রয়েছেন। এসআইআর'র নথি ভর্তি ব্যাগ মোবাইল ফোন লঞ্চে রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
ওই শিক্ষকের দাবী, তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। ডিজিটালাইজেশন'র ক্ষেত্র তার অক্ষমতা আছে। এই বিষয়টি তিনি আগেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারীকদের জানিয়েছেন কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। দিনের পর দিন তাকে এসআইআর'র কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পরতে হয়। শনিবার সকালে ব্যারাকপুর থেকে শ্রীরামপুরে আসেন। পরে শ্রীরামপুর থেকে ব্যারাকপুরে যাওয়ার সময় গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি।
ফেরিঘাট কর্মি বাবলু বলেন,হঠাৎ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন ওই যাত্রী।আমরা তাকে উদ্ধার করি। পরে জানা যায় তিনি একজন বিএলও।
পুলিশ ও তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। ফেরি ঘাটে থাকা মানুষেরা জানান উনি দীর্ঘক্ষণই অস্বস্তি বোধের মধ্যে ছিল। হঠাৎ তিনি যে এই সিদ্ধান্ত নেবেন তা পাশাপাশি কোন যাত্রী বা কেউ বুঝতে পারেনি।
পরে, শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে বিএলও কে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

Comments :0

Login to leave a comment