DYFI Rally

তাঁত শিল্প বাঁচাতে ডিওয়াইএফআই’র পদযাত্রা গঙ্গারামপুরে

জেলা

‘‘তাঁত শিল্প বাঁচাও ও জেলায় শিল্প চাই’’ এই দাবিতে ডিওয়াইএফআই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কমিটির ডাকে বোড়ডাঙ্গী থেকে ঠ্যাঙ্গাপাড়া পর্যন্ত দশ কিলোমিটার পদযাত্রা হয় শুক্রবার। তৃণমূলের আমলে ধ্বংস করে দেওয়া গঙ্গারামপুরের তাঁত শিল্প ও সংশ্লিষ্ট তাঁত কর্মীদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ফিরিয়ে আনতে এদিন দুপুরে গঙ্গারামপুর ব্লকের বোড়ডাঙ্গী থেকে ঠ্যাঙ্গাপাড়া পর্যন্ত দশ কিলোমিটার রাস্তায় মিছিল এলাকার মানুষের মধ্যে বিশেষ ভাবে সারা জাগায়। সুবিশাল পদযাত্রা চলাকালীন রাস্তার দু'ধারের গ্রামবাসীরা বিশেষ করে এই এলাকায় বসবাসকারি তাঁত কর্মীরা উৎসাহ প্রদান করেন।  বোড়ডাঙ্গি সহ এলাকার তাঁত শিল্পী বিশ্বজিৎ সরকার, উজ্জ্বল বসাক, রতন সন্যাসী’রা বলেন, ‘‘পনেরো কুড়ি বছর আগে আমাদের এলাকায় তাঁতের শাড়ি গামছা ইত্যাদির ভীষণ চাহিদা ছিলো। সুদুর কলকাতা সহ ভিন রাজ্যেও চলে যেতো এখানকার তাঁত শিল্পীদের বানানো শাড়ি। তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের ব্যাবস্থাপনায় সমবায় লোনের মাধ্যমে স্থানীয় তাঁত শিল্পীরা অর্থনৈতিক সাহায্য পেতেন। সুতো ও রং কেনাতে ভর্তুকি ছিলো। পাইকারি তাঁতের বস্ত্র বিপনন কেন্দ্র গড়ে বিক্রি বাট্টার ব্যাবস্থা করেছিলো তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। বর্তমান তৃণমূল সরকার সমবায় প্রথা প্রায় তুলেই দিয়েছে এবং কোন সাহায্য পাওয়া যায়না।’’
ডিওয়াইএফআই জেলা সম্পাদক চন্দন সিং বলেন, আমরা মানুষের রুজিরোজগার এবং জীবন যাত্রাকে সুরক্ষা দিতে পথে নেমেছি। গঙ্গারামপুর থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত শত শত তাঁত কল প্রায় ধ্বংস হয়েগিয়েছে। এখনও কিছু চলছে সেগুলির অবস্থা ভালো নয়। তাই জেলার সমস্ত তাঁত শিল্পকে বাঁচাতে আমাদের পদযাত্রা শেষে ন্যায্য দাবিগুলি যথা সুতা ও রং কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি, বিনামূল্যে তাঁত সামগ্রী বিতরণ সহ অন্যান্য দাবিতে ব্লক হ্যান্ডলুম আধিকারিকে ডেপুটেশন দেওয়া হলো। আগামীতে আমরা বেকাদের রুজিরোজগারের দাবিতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। এদিন পদযাত্রা ও ডেপুটেশনে নেতৃত্ব দেন যুব রাজ্য সভাপতি অয়নাংশু সরকার, রাজ্য নেতৃত্ব চন্দন সোম, সমির ঘোষ, জেলা নেতৃত্ব চন্দন সিং, সনাতান বর্মন প্রমুখ। 

Comments :0

Login to leave a comment