বুলডোজার রাজ মানছি না, স্লোগানে মুখরিত যাদবপুর স্টেশন চত্বর।
রবিবার ফের যাদবপুর স্টেশনে বুলডোজার নিয়ে হকার উচ্ছেদ করতে তৎপর প্রসাশন। মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্যারিকেড করে ঘিরে রাখা হয়েছে চত্বর। ইতিমধ্যে বহু মানুষ যাদবপুর স্টেশনে একত্রিত হয়েছেন প্রশাসনের এই অমানবিক পদক্ষেপ আটকাতে। বামপন্থী সংগঠন গুলি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই আন্দোলনের। সুজন চক্রবর্তী সৃজন ভট্টাচার্যের মতো নেতারা উপস্থিত রয়েছেন যাদবপুর স্টেশনে।
সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, "এই ঘটনাকে গরীব মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা ছাড়া আর কিছুই বলা যায়না। গরীব মানুষ খেটে খায়, তাদেরকে উচ্ছেদ করতে হবে। নিষ্পেষিত করতে হবে মিশিয়ে দিতে হবে ধুলোয়। তাদের সংসার কিভাবে চলবে তা বোঝার দরকার নেই, কিন্তু আদানি- আম্বানির ব্যবসা হবে। ডবল ইঞ্জিন সরকার মানে ডবল আক্রমণের সরকার সেটাই এখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
তিনি বলেন, "গোটা জায়গাটাকে ঘিরে যেন একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। রাষ্ট্র, সরকার সকলে মিলে গরীব মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে। কিসের জন্য এই যুদ্ধ? আগের দিন বলেছিল কোর্ট সময় দিয়েছে। এরা আইন মানে না। আইনকে নশ্চাত করে এরা এখানে এসে হাজির হয়েছে। শুভেন্দু বাবু বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বলেছিলেন গরিব মানুষদের উচ্ছেদ করা হলে বুলডোজারের সামনে তিনি নিজে এসে দাঁড়াবেন। এখন কোথায় তিনি? মুখ্যমন্ত্রী হয়ে কী ভোল বদলে গেছে? বিরোধী নেতা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যদি মানুষের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনেন, যা বলেছিলেন সেই কথা যদি না রাখেন, মানুষ তার লড়াই বুঝে নেবেন। এই লড়াই আমরা ছাড়বো না।"
Comments :0