নির্লজ্জ আত্মসমর্পণ বন্ধ করতে হবে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে। অন্য দেশের মতো ভারতকেও আমেরিকার থেকে আমদানি করা পণ্যে শুল্কের হার বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার মাদুরাইতে এই দাবি জানিয়েছেন সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরোর কোঅর্ডিনেটর প্রকাশ কারাত।
তথাকথিত মুক্তি দিবস ঘোষণা করে ২ এপ্রিল চড়া হারে বিভিন্ন দেশের ওপর আমদানি শুল্ক বসিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের ওপর বসানো হয়েছে ২৬ শতাংশ আমদানি শুল্ক। আমেরিকায় ভারতের যে যে পণ্য বিক্রি হবে তার উপরে ২৬ শতাংশ শুল্ক বসবে। ফলে আমেরিকার বাজারে দাম বাড়বে।
ট্রাম্প তাঁর ভাষণে বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু ভারতে আমেরিকার পণ্যে চড়া হারে আমদানি শুল্ক বসানো রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি আমেরিকার পণ্য ৫২ শতাংশ আমদানি শুল্ক আদায় করে ভারত।
বুধবার বার গভীর রাতের ঘোষণায় চীনর ওপর আরো ৩৪ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। চীনের উপর মোট ৫২ শতাংশ শুল্ক চেপেছে। ইউরোপের পণ্যেও কুড়ি শতাংশ আমদানি শুল্ক চেপেছে। কানাডা, মেক্সিকোর মত দেশগুলোর ওপর আগে থেকেই শুল্কের বোঝা বাড়িয়েছেন ট্রাম্প।
কারাত বলেছেন ইউরোপের দেশগুলো বা কানাডা পাল্টা শুল্ক চাপানোর রাস্তা নিয়েছে। আর ভারতের মোদী সরকার নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমেরিকার পণ্যে করের হার কমিয়ে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করছে। ভারতকে আমেরিকার পণ্যে পাল্টা শুল্ক বসাতে হবে।
উল্লেখ্য ভারত আমেরিকার থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত পেট্রোলিয়ামের প্রতি টনে মাত্র ১ টাকা আমদানি শুল্ক আদায় করে। আমেরিকার কয়লা, তরলীকৃত গ্যাসে মাত্র আড়াই শতাংশ আমদানি শুল্ক। তবু
বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে গুগলের মতো আমেরিকার সংস্থাকে সুবিধা দিতে ৬% ডিজিটাল ট্যাক্স বাতিলের দিকে যাওয়া হবে। আমেরিকার লক্ষ্য, ভারতের বাজারে তাদের কৃষিপণ্য এবং দুগ্ধজাত পণ্যের অবাধ বিক্রির ব্যবস্থা করা।
Karat US Import Duty
ট্রাম্পের শুল্ক: মোদী সরকারের নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের নিন্দা কারাতের

×
Comments :0