MUKTADHARA | JOURNEY | BANGALIR EUROPNAMA | SUPRATIK BANIK | 19 SEPTEMBER 2026 | 4th YEAR

মুক্তধারা | ভ্রমণ | বাঙালির ইউরোপনামা | সুপ্রতিক বণিক | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ

নতুনপাতা/মুক্তধারা

MUKTADHARA  JOURNEY  BANGALIR EUROPNAMA  SUPRATIK BANIK  19 SEPTEMBER 2026  4th YEAR

মুক্তধারা

ভ্রমণ 

বাঙালির ইউরোপনামা 

সুপ্রতিক বণিক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ

এলো শীতের রুক্ষ শুষ্ক দিন 
প্রিয় ত্বকের যত্ন নিতে...

ফ্লাইট এ চড়ার পর বুঝলাম এই বিমানের সাথে অন্তর্দেশিক বিমানের পার্থক্যটা কোথায় ।
এই বিমান গুলো অনেকটা বড় আর কাতার এয়ারওয়েজ এর এই বিমানটা ছিলো এয়ারবাস ৩৫০-১০০০ যেটা সাধারণ বিমানের চেয়ে আকারে আয়তনে অনেকটা বড় ।
সিট্ এ দেখলাম একটা হেডফোন ,টিস্যু দেওয়া আছে ।পা ছড়াবার জায়গা সেই অন্তর্দেশীয় বিমানের মতোই কম ।প্রচণ্ড বেগ নিয়ে এই কয়েকটনের ভারী যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ উড়ে চলল ।সোজা কলকাতা থেকে ভারতের মাঝখান দিয়ে পাঞ্জাব হয়ে ঠিক পাকিস্তান এয়ারস্পেসকে কাটিয়ে সোজা  পৌঁছে যাব দোহা,কাতার ।উঠেই যে ফলাহার ,ডিম্,ব্রেড, ভাত অনেক কিছু দিয়েছিলো সেগুলো দিয়েও উদরপূর্তি করেছিলাম ।
নামার সময় দেখলাম:
আরব সাগরের পাশে এক আলোকময় শহর ,অনেক খনিজের ভান্ডার ,
অনেক সম্পদশালী সেই কাতার।
মধ্যপ্রাচ্যে যখন নামলাম যখন, তখন প্রায় সকাল ,বা বলা চলে ভোর ।ব্যবস্থাপনা এরকম যে বিমান থেকে নির্গত সব যাত্রীকে এমন পথ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো যে যারা ওখান থেকে পরের কোনও দেশে যাত্রা করবে তারা এক পথ দিয়ে যাবে আর বাকিরা অন্য পথ দিয়ে যাবে ।অন্য সহযাত্রীদের পথ অনুসরণ করতে করতে আমরা চলে গেলাম একেবারে সিকিউরিটি চেকিং এর জায়গায়,সেখানে আবার এক প্রস্থ পরীক্ষা হলো আমাদের ব্যাগ আর আমাদের।এবার এখানে একটা ঘটনা ঘটল ।আমার হাতে প্রায় গত ১১ বছর ধরে আমার এক বন্ধুর বৈষ্ণদেবী মন্দির থেকে আনা একটা বালা পরি ,সেটা ঘটনা চক্রে ওরা খুলতে বলে।যেটা আমি আজ অব্দি কখনও খুলিনি ,স্বভাবতই এখানেও খুলিনি ।তাতে ওরা বলে যে শরীরে হাত দিয়ে সব পকেট , সব দিক ভালো করে পরীক্ষা করবে করল ও তাই, তবেই মুক্তি । বলা দরকার আমার জুতো একটু বড় মানে ১০ নম্বর আর কি এবং গোড়ালি ঢাকা জুতো ,তাতে আরও বড় লাগে ,আমাকে সম্পূর্ণ জুতো-মোজা খুলতে হয়েছিল সিকিউরটি চেকিং এর জন্য ।আপনাদের ও যে এইরকম ই পরীক্ষা হবে তার কোনও মানে নেই ,কিন্তু আমার সাথে ঘটা ঘটনা গুলো আপনাদের অল্প হলেও এইসব ব্যাপারে বাকিদের থেকে একটু এগিয়ে রাখবে ।
বিমানবন্দর এর মূল কেন্দ্রে এসে সামনে দেখলাম আধুনিক যুগের এক অভূতপূর্ব মনুষ্যসৃষ্ট আশ্চর্যজনক স্থাপত্যের নিদর্শন ।এত বড় বিমানবন্দর আমার চর্মচক্ষে দেখা এই প্রথম ।সামনে দেখলাম একটা মাসেরটি আর একটা চকচকে অ্যাশটন মার্টিন রাখা রয়েছে ।দুটোই চরম গতি সম্পন্ন অসাধারণ গাড়ি ,যা আমাদের এ দেশে সংখ্যায় খুব ই কম।দেখেই চোখ জুড়িয়ে গেল।হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ,দোহা তে দাড়িয়ে এবার মনে হলো হঠাৎ করে যে দেশ থেকে এই প্রথম এতটা দূরে ।দেশ এর আচার আচরণ ,টেকনোলজি ,হাবভাব ,মানুষজন এ সবই অনেক আলাদা কাতার এর দোহা তে ।ছবি তুলে ফেললাম ব্রায়ান কনেলি এর তৈরি এক দানবিক, কাঠের ১০ মিটার লম্বা এবং ১৫ টন ভারী্‌, আফরোর্মসিয়া -এক রকমের আফ্রিকান টিক কাঠ দিয়ে বানানো মূর্তি “স্মল লাই “ সাথে ।

চলবে

Comments :0

Login to leave a comment