যাদবপুরে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। আক্রান্ত হন প্রতিবাদী বহু মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। আহত হয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য সহ বহু। তাঁদের প্রত্যেককেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে কেপিসি হাসপাতালে। সৃজন ভট্টাচার্য সহ গ্রেপ্তার মোট ৬জন।
পুলিশ ও রেল প্রশাসন বর্বরোচিত ভাবে লাঠিচার্জ করেছে। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকের। প্রায় ১৫ জন কেপিসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। সুজন চক্রবর্তীর মাথায় গুরুতর আঘাত থাকার জন্য যাবতীয় পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেলাই করা হয়েছে বহু আক্রান্তের। চিকিৎসা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসএফআই সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্যকে। তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে রাতভর টানা অবস্থান করছে এসএফআই। রাত থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের বাইরে গণ জমায়েতের ডাক দিয়েছে তারা। অবস্থানে রয়েছেন ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক সৌভিক দাসবক্সী এসএফআই কলকাতা জেলা সম্পাদক শুভদীপ ব্যানার্জি, সভাপতি হাসিব হোসেন সহ এসএফআই কর্মীরা।
আহত হওয়ার পর জয়রাজ ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করছে। বর্ষিয়ান নেতা সুজন চক্রবর্তীর ওপরেই প্রথম আক্রমণ করা হয়, সেটা আটকানোর সময় আমার মাথায় আঘাত করা হয়। এখানে যে পুলিশ প্রশাসন রয়েছে তাঁরা খুবই নির্মম। তাদের হাতে প্রত্যেকের হাতেই এ-কে-৪৭ বন্দুক রয়েছে। গোটা জায়গাটিকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে। জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনার যে স্ট্র্যাটেজি ছিল, এখানেও সেই স্ট্রাটিজি নিয়েছেন তারা।
Comments :0