Abhisekh Banarjee

আইনী সহায়তা চেয়ে হাইকোর্টে অভিষেক

রাজ্য

সই জাল কান্ডে গ্রেপ্তার করতে পারে সিআইডি, এই আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের আইনী সুরক্ষা চেয়ে দ্বারস্থ হলেন অভিষেক ব্যানার্জি। বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল নিয়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ১৪ জন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দুই বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহা।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছে সিআইডিকে তিনজন বিধায়ক জানিয়েছে তাদের সই জাল করা হয়েছে। শনিবার সকালে সিআইডি’র দল অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতনে’ যায় সিআইডি। তদন্তকারিদের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে অভিষেক বাড়িতে নেই। পরবর্তী সময় কালীঘাটের বাড়িতে সিআইডি’র আধিকারিকদের হা থেকে নোটিশ নেনন তৃণমূল সাংসদ। সোমবার তার ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা দেননি। সেদিন আবার সিআইডি তার বাড়িতে যায়। নোটিশে সইও করেন অভিষেক।

তৃণমূলের পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে শোভনদেব চ্যাটার্জির নাম বিরোধী দলনেতা হিসাবে যেই চিঠি বিধানসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া হয় সেখানে ৭০ জন বিধায়কের সই ছিল। বিধানসভার সচিবালয় সূত্রে খবর সেই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। নয়না ব্যানার্জি, চন্দ্রনাথ সিনহার সাথে এই বিষয় কথা বলেছে সিআইডি। 
কালীঘাটের বাড়িতে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করে শোভনদেব চ্যাটার্জির নাম বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে চুড়ান্ত করেন মমতা ব্যানার্জি। ডেপুটি লিডার হয়েছে অসীমা পাত্র এবং নয়না ব্যানার্জি। সেই মর্মে দলের পক্ষ থেকে অভিষেক ব্যানার্জি বিধানসভার সচিবালয়ে চিঠিও পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেই চিঠি দেওয়ার পরও বিরোধী দলনেতা হিসাবে এখনও ঘর পাননি শোভনদেব।
বিধানসভার সচিব সমীরীন্দ্রনাথ দাস সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, অভিষেক ব্যানার্জি তৃণমূলের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চ্যাটার্জি, ডেপুটি লিডার হিসাবে অসীমা পাত্র এবং নয়না ব্যানার্জি এবং চিফ হুইপ হিসাবে ফিরহাদ হাকিম সর্বসম্মতিতে এই পদ গুলোয় নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু দলের পক্ষ থেকে এই চিঠির সাথে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেয়নি।
তিনি জানিয়েছেন কোন বৈঠক থেকে এবং কবে তারা নির্বাচিত হয়েছেন তার কাগজ যেমন জমা দিতে হবে তেমন সেই বৈঠকের মিনিটস এর কপিও জমা দিতে হবে সচিবালয়ের কাছে। তার কথায়, ‘চিঠির সঙ্গে দলীয় বৈঠকের কোনও রেজোলিউশন কপি বা মিনিটস দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ, কতজন সদস্য এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন, তা জানানো হয়নি। এমনকী চিঠিতে বৈঠকের উল্লেখ থাকলেও, সেই বৈঠকটি কবে, কোন তারিখে হয়েছিল তারও কোনও উল্লেখ নেই।’ 
তারপরই বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রতরা জানায় যে সই জাল করা হয়েছে। থানায় দায়ের করা হয় অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই চলছে তদন্ত।

Comments :0

Login to leave a comment