টিএমসিপির কায়দায় এবিভিপি শনিবার নির্মমভাবে হামলা চালালো এসএফআইর কর্মীদের উপর। আক্রান্ত একাধিক ছাত্রকর্মী। এদিন টাকী ও বসিরহাট কলেজে প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন এই হামলা বলে অভিযোগ এসএফআই'র। পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। কলেজে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও পঠনপাঠনের সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি তোলার পাশাপাশি অভিযুক্ত এবিভিপির হামলাকারী সদস্য মোহন্ত দাস,বাপ্পা দাস,অতনু দাস,মন্দিরা সর্দার,রিমি নাগ,বিক্রম দাস সহ এবিভিপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতী ও স্হানীয় বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে এসএফআই'র পক্ষ থেকে।
শনিবার টাকি গভর্মেন্ট কলেজ এবং বসিরহাট কলেজে স্টুডেন্ট ভেরিফিকেশন ছিল। টাকি গভর্মেন্ট কলেজের এসএফআই ইউনিটের সদস্য সদস্যরা ছাত্র-ছাত্রীদের সাহায্যে হেল্পডেক্স করতে চাইছিল।
প্রথমে টাকি কলেজের এবিভিপির সদস্য সদস্যরা এসএফআই'র সদস্য সদস্যাদের কলেজে ঢুকতে না দেওয়ার জন্য জোর করে কলেজের গেট বন্ধ করে দেয়। এসএফআইয়ের সদস্য সদস্যরা এবিভিপি সামনে প্রতিরোধের ব্যারিকেড গড়ে তোলে। এরপর বিজেপির বহিরাগত কর্মী ও দুষ্কৃতীরা এসে এসএফআই'র ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে সশস্ত্র হামলা চালায়। স্থানীয় এলাকায় যারা বিজেপির সদস্য বা কর্মী বলেই পরিচিত তারা হামলায় নেতৃত্ব দেয় বলে অভিযোগ। বহিরাগতদের দ্বারা শারীরিকভাবে আক্রান্ত হয়েছে টাকী কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী প্রথমা মহন্ত, তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সৌরদিপ ঘোষ, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র নাসির উদ্দিন মোড়ল, মানস কুমার মন্ডল, সমুদয় মন্ডল।
অন্যদিকে বসিরহাট কলেজের ফাস্ট সেমিস্টারের ভর্তির ভেরিফিকেশন ছিলো। এসএফআই বসিরহাট কলেজে ইউনিটের পক্ষ থেকে বসিরহাট কলেজের অভ্যন্তরে ছাত্র ছাত্রীদের সুবিধার জন্যে ক্যাম্প করা হয়েছিল। এবিভিপিও ক্যাম্প করেছিল। এসএফআইর ক্যাম্পে ছাত্রছাত্রীদের ভিড় এবিভিপির ক্যাম্পের চাইতে বেশি থাকায় প্রথমে কলেজের অভ্যন্তরে এবিভিপির পক্ষ থেকে ক্যাম্প করতে বাঁধা দেওয়ার হয়। পরে ভেরিফিকেশন শেষে কলেজের বাইরে এবিভিপি ও বিজেপি মিলিত ভাবে অন্তত ৫০-৬০ জন বহিরাগত গুন্ডাদের নিয়ে এসে চলে চূড়ান্ত আক্রমন এসএফআই'র উপর। আহত হয় রূপক দাস, রাকিব বিন শহিদুল, সহ অনেকে।
ABVP attacks SFI
টাকী ও বসিরহাট কলেজে এসএফআই কর্মীদের উপর আক্রমণ এবিভিপির, পাল্টা প্রতিরোধ
×
Comments :0