বিধানসভায় বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, নতুন সরকারের লক্ষ বিকশিত ভারতের অংশ হিসাবে বিকশিত বাংলা গড়ে তোলা। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যেই সামাজিক প্রকল্প গুলো রাজ্য চলছিল তা চলবে, বন্ধ করা হবে না। রাজ্যের ওপর ঋণ ৮ লক্ষ ৫৫ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটে সরকার ঘোষণা করেছে এক লক্ষ সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে ৩৩ শতাংশ বরাদ্দ করা হবে মহিলাদের জন্য। ‘ফলতা মডেল’ এর ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। ৫০ হাজার শিক্ষক পদে হবে নিয়োগ। পুলিশে নিয়োগ হবে ২০ হাজার। উল্লেখ্য বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ফলতাকে ফ্রি ট্রেড জোন হিসাবে ঘোষণা করে। শিল্পের জন্য সেখানে উদ্যোগও নেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। তৃণমূল সরকারের আমলে সেই সব উদ্যোগ শেষ করে দেওয়া হয়।
নির্বাচনে বিজেপির অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল বকেয়া ডিএ এবং কেন্দ্রীয় হারে ডিএ তারা দেবে। স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন ১৮ শতাংশ ডিএ’র সাথে আরও ২০ শতাংশ ডিএ যুক্ত করে সরকারি কর্মীদের ৩৮ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে। যা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকরি করা হবে।
বাড়ানো হয়েছে বিধায়ক তহবিলের পরিমান। প্রতি বছর ৭০ লক্ষের বদলে বিধায়কদের এক কোটি বরাদ্দ করা হবে বছরে উন্নয়নের জন্য। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৬ হাজার কোটি টাকা। কলেজে ছাত্রী ড্রপ আউট আটকাতে এককালিন ৫০ হাজার টাকা ছাত্রীদের দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে টিকিটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা। মহিলাদের পিঙ্ক কার্ড দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। প্রতিটা মহকুমায় মহিলা থানা এবং প্রতিটা থানায় মহিলা ডেস্ক থাকার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
জঙ্গিপুরে নদী ভাঙন এবং পুনর্বাসনের জন্য সরকার বরাদ্দ করেছে ৫০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারি বাসের কন্ডাক্টরদের জন্য বাড়ানো হয়েছে ভাতা। মাসে তাদের ভাতা দেওয়া হবে ১৬ হাজার টাকা, আশা কর্মীদের ভাতা বাড়িয়ে করা হয়েছে পাঁচ হাজার, দুই হাজার টাকা ভাতা বাড়ানো হয়েছে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের।
উল্লেখ্য রাজ্যের বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেটে ঘোষণা করেছে মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জেল খেটেছেন এমন রাজনৈতিক কর্মীদের সংগ্রামী ভাতা দেওয়া হবে।
Comments :0