অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ধূপগুড়ি পৌরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন একদল উপভোক্তা। বারবার পৌরসভায় জানিয়েও সুরাহা না মেলায়, শেষ পর্যন্ত প্রতিকারের আশায় তাঁরা মহকুমা শাসকের দপ্তরের দ্বারস্থ হলেন। অন্যদিকে, এই যোজনার কাজে গাফিলতির অভিযোগে শোকজ করা ৩২ জন পৌরকর্মী এদিন মহকুমা শাসকের দপ্তরে হাজির হয়ে তাঁদের লিখিত জবাব জমা দিলেন।
ভুক্তভোগী মহিলাদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে অফলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাঁদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে তাঁদের অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে আবেদনের পরেও টাকা না মেলায় তাঁরা ফের পৌরসভায় যান।অভিযোগ, সেখানে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের দেখা মেলেনি। কোনো সদুত্তর না পেয়েই বাধ্য হয়ে তাঁরা মহকুমা শাসকের দপ্তরে এসে বিক্ষোভ দেখান।
উল্লেখ্য, অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে গাফিলতির অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩২ জন পৌরকর্মীকে শোকজ করেছিলেন মহকুমাশাসক শ্রদ্ধা সুব্বা। ধূপগুড়ি পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে দুইজন করে এই কর্মীরা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। নোটিশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমা মেনে এদিন সকাল ১১টা নাগাদ রেগুলেটেড মার্কেটে মহকুমা শাসকের দপ্তরে হাজিরা দেন তাঁরা। প্রত্যেকেই তাঁদের শোকজের লিখিত উত্তর জমা দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি কর্মীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পৌরকর্মী অবশ্য দাবি করেছেন, তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনেই কাজ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, "আমরা ধারাবাহিকভাবে উপরতলার নির্দেশ পালন করেছি। এখন অকারণে আমাদের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে।"
মহকুমা শাসকের দপ্তর সূত্রে খবর, ৩২ জন কর্মীর কাছ থেকেই শোকজের লিখিত জবাব পাওয়া গিয়েছে। বর্তমানে সেই উত্তরগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দপ্তরের স্পষ্ট বার্তা, কারোর জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী ক্ষেত্রে তাঁদের ফের তলব করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
Annapurna Yojana
অন্নপূর্ণা যোজনায় বঞ্চনার অভিযোগ, মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ উপভোক্তারা
×
Comments :0