মুক্তধারা
উৎসব ১৪৩৩
অন্যআঙিনা
মেটেফুল আকর্ষণীয় লিটল ম্যাগাজিন : অমল কর
৩ নভেম্বর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ
কবি দিলীপ বসু সম্পাদিত মেটেফুল পত্রিকার শারদ সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠান কৃষ্ণপদ ঘোষ স্মৃতি সভাঘর। ০৫ অক্টোবর,২০২৬ উপস্থিত ছিলেন মৃদুল দাশগুপ্ত সতীনাথ মুখোপাধ্যায় অমল কর রামকিশোর ভট্টাচার্য রথীন কর সহ বহু মানুষের অংশগ্রহনে মুখরিত ছিল।
পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যের পদচারণায় অনেকবশি এগিয়ে রাজধানী কলকাতা যার পীঠস্থান নন্দন রবীন্দ্রসদন বাংলা আকাদেমি চত্বর ।সাহিত্যের বারোমাস্যা এই অঙ্গন-উঠোন চনমনে থাকে নগরীর কৌলিন্যে আর গ্ৰামবাংলার উমনোঝুমনো কতিপয় সাহিত্যমনস্ক ছোটোপত্রিকার
বিশ্বকর্মা-কুশীলব আর কবিতাপ্রেমী মানুষের চরণচারণে। তখন এলাকা হয়ে ওঠে মিলনমন্দির । নানা উপচারে সৃষ্ট শৈলী নিয়ে এখানে মিলিত হন ভিন্ন রুচির বিভিন্ন স্বাদের অসংখ্য মানুষ।
কোনো কোনো গ্ৰামীণ ছোটোপত্রিকা শহুরে
পত্রিকার সাথে টক্কর দিয়ে লড়ে যাবার স্পর্ধা নিয়ে সোচ্চারে বলে ওঠে 'দেখোরে,নয়ন মেলে'।
কবি -প্রাবন্ধিক দিলীপ বসু সম্পাদিত 'মেটেফুল' পত্রিকার ২৬ তম বর্ষে শারদ সম্ভার বহু ছোটোপত্রিকাকে পেছনে ফেলে দেবার হিম্মত রাখে।
বর্ষীয়ান এই সম্পাদক হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর থেকে সহ সম্পাদক সাতকর্ণী ঘোষ -এর আত্মিক সহায়তায় মনন মেধা শৈলী নিয়ে আশ্চর্য সাজিয়ে প্রকাশ করেছেন এই উজ্জ্বল সংখ্যাটি।
সংখ্যাটি ১টি নিবন্ধ,৩ টি প্রবন্ধ,২ টি ছোটোগল্প, একাধিক গ্ৰন্থ সমালোচনা আর ৬৩ টি কবিতার ডালি দিয়ে প্রকাশিত।সম্পাদকের 'বন্দেমাতরম'
নিবন্ধটি সাম্প্রতসময়ে অবশ্যই প্রণিধানযোগ্য।
ষাটের দশকের শক্তিমান কবি নীরেন্দু হাজরার বলিষ্ঠ স্মৃতিচারণ করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন অশোক অধিকারী।ভারতচন্দ্রকে নিয়ে অনেক অজানা মুক্তো উপহার দিয়েছেন রাজীব শ্রাবণ।
বাংলা সাহিত্যে 'পঞ্চপাণ্ডব' নামে খ্যাত দুই দিকপাল কবি অমিয় চক্রবর্তী ও জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে মূলবান আলোচনা করেছেন তরুণ মুখোপাধ্যায়। ভারতের প্রাচীন জাতি আদিবাসীদের অরণ্য জীবন, বঞ্চনা ও তাদের অধিকার নিয়ে সুনিপুণ সারগর্ভ অর্থবহ আলোচনা করেছেন হুসনে বানু।
তুষার বসু আর অনন্যা দাশের গল্পদুটো সুখপাঠ্য।
অজিত বাইরী অদীপ ঘোষ পিনাকী বসু সাতকর্ণী ঘোষ তাপস মিত্র মহুয়া দাস হাজরা সৌরভ দত্ত অনীক ঘোষ প্রমুখের অভিনব কবিতা মন কেড়ে নেয়। সুন্দর প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী মণিশঙ্কর।
পত্রিকার স্থায়িত্ব ও বিস্তর বিস্তার কাম্য।
Comments :0