সংবাদমাধ্যম সংহারী তালিকায় আদানি গোষ্ঠী এবং ‘ওপিইন্ডিয়া’। ২০২৬’র এই তালিকা তৈরি করেছে ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ বা আরএসএফ।
২ নভেম্বর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ অবসান দিবস পালন করা হয়েছে। তার আগেই আন্তর্জাতিক স্তরে সাংবাদিকদের এই মঞ্চ ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ বের করেছে তালিকা। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ‘সংবাদমাধ্যম সংহারী’ তালিকা বের করল এই মঞ্চ।
আদানি গোষ্ঠী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমে কোন বিরূপ খবর প্রকাশিত হলেই এই প্রবল প্রতিপত্তিবান ব্যবসায়িক গোষ্ঠী আদালতে মামলা করে। মামলায় ক্ষতিপূরণের বিপুল অঙ্কও থাকে। ফলে সংবাদমাধ্যমে প্রয়োজনীয় খবর প্রকাশেই বাধা তৈরি করে। ‘ওপিইন্ডিয়া’ নিজেই সংবাদমাধ্যম। আরএসএফ বলছে, এদের কাজ হলো ব্যক্তি সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যম, যারা সরকার বিরোধী খবর করে, তাদের কালিমালিপ্ত করে প্রচার চালায়।
আরএসএফ জানাচ্ছে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকেরই অংশ এই ‘প্রেস ফ্রিডম প্রিডাটরস’ লিস্ট। তুরস্কের রেসেপ তায়েপ এরদোগান, হঙকঙের জন লি কা চিউ, আমেরিকার ফেডারাল কমিউনিকেশন কমিশনের প্রধান ব্রেন্ডন কার।
তালিকায় রয়েছেন ধনকুবের এলন মাস্ক এবং আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি জেভিয়ার মিলেয়ি। আরএসএফ বলেছে, এই দু’জন কেবল এপ্রিল এবং মে-তে ১৬৭৪টি পোস্ট ‘এক্স’-এ করেছেন সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে।
আরএসএফ জানিয়েছে সংহারী তালিকা তৈরি করা হয়েছে পাঁচটি বিভাগে। রাজনৈতিক, সুরক্ষা, অর্থনৈতিক, আইনি এবং সামাজিক। আদানিকে রাখা হয়েছে আর্থিক সংহারী তালিকায় আর ওপিইন্ডিয়া-কে সামাজিক সংহারী তালিকায়।
RSF ‘Press Freedom Predators’ list
আরএসএফ-র ‘সংবাদমাধ্যম সংহারী’ তালিকায় আদানি, ওপিইন্ডিয়া
×
Comments :0