Minakshi Mukherjee cpim

হিন্দমোটরে সিপিআই(এম)’র অর্থ সংগ্রহে মীনাক্ষী

জেলা

হিন্দমোটর ধরসায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত মীনাক্ষী মুখার্জি। ছবি: শুভ্রজ্যোতি মজুমদার।

৫০০ বছরের প্রাচীন জনপদ কোতরং ধরসা। সুফি সম্প্রদায়ের সাধক গাজী আব্দুল সাহেব সুফি দর্শন প্রচারে এসেছিলেন ধরসায়। সমন্বয় এবং সম্প্রীতি এই এলাকার ঐতিহ্য। এই অঞ্চলে ৭৫ শতাংশ মানুষ সংখ্যালঘু। এই অঞ্চলেই রবিবার জনসংযোগ ও গণ অর্থ সংগ্রহ করেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যা মীনাক্ষী মুখার্জি। সিপিআই(এম) কোতরঙ -হিন্দমোটর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচী হয়। 
ধরসা এলাকা উত্তরপাড়া বিধানসভার ১০১ নম্বর বুথ এলাকার মধ্যে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকায় নিকাশির সমস্যা প্রচন্ড। সংখ্যালঘু এলাকা বলেই হয়ত পাকা নর্দমা করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা আসমা বেগম জানান, বহু দিন ধরেই এখানে নর্দমা কাঁচা রয়েছে কিন্তু সারানোর উদ্যোগ দেখি না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখানে মূল সমস্যা বড় কোনও কবরস্থান নেই। জনসংখ্যা বাড়ছে। তাই একটি বড় কবরস্থান হলে ভালো হয়। হুগলী জেলায় অন্যতম প্রাচীন মাদ্রাসা এই ধরসা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। দেদার বক্স মাদ্রাসার বয়স ১০০ পেরিয়েছে। এখন সেটি একটি প্রাইমারি স্কুল। 


এদিন মীনাক্ষী বলেন, "সম্প্রীতি বাংলার ঐতিহ্য সেই ঐতিহ্যকে তৃণমূল বিজেপি মিলে শেষ করতে চলেছে। বাংলার মানুষ বিকল্প সরকার চাইছেন। সেই সম্প্রীতির বাতাবরণ পুনরুদ্ধার করতে।‘‘ 
এলাকার কাঁচা নর্দমা দেখে মীনাক্ষী বলেন পৌর পরিষেবা সব অংশের মানুষের অধিকার। কিন্তু দেখতে পারছেন তো কী অবস্থা। বহু বছর হয়ে গেলেও সরানো হচ্ছে না। বড় কবরস্থান নেই উত্তরপাড়া বিধানসভা এলাকায়। বিধায়ক ও পৌরসভার কোনও হেলদোল নেই। এদিন হিন্দমোটরের ২ নম্বর সরকারি কলোনিতে পাড়া বৈঠক হয়। হিন্দমোটর বিধানপল্লীতে জনসংযোগ ও গণঅর্থসংগ্রহ কর্মসূচী হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শ্রুতিনাথ প্রহরাজ, অভিজিৎ চক্রবর্তী সহ নেতৃবৃন্দ। 
 

 

Comments :0

Login to leave a comment