KHARAGPUR CO-OPERATIVE

খড়্গপুরের সমবায়ে মনোনয়ন পেশ হাইকোর্টের নির্দেশে, তৃণমূলের হামলার বিরুদ্ধে চলল বিক্ষোভও

জেলা

সন্ত্রাসের মুখেও খড়্গপুরের সমবায়ে মনোনয়ন জমা দিলেন এই চার প্রার্থী।

সমবায় নির্বাচন আটকাতে হামলা চালিয়েছিল তৃণমূল। দাঁড়িয়ে দেখেছিল পুলিশ। লড়াই থামেনি। মেদিনীপুর পিপলস কো অপারেটিভ সমবায় ব্যাঙ্কের পরিচালন কমিটি নির্বাচনে প্রগতিশীল চার প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন হাইকোর্টের নির্দেশে।
বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দিলেন প্রার্থীরা। মেদিনীপুর পিপলস কো অপারেটিভ সমবায় ব্যাংকের পরিচালন কমিটি নির্বাচনে বামপ্রার্থীদের মনোনয়ন আটকাতে পরপর দু’দিন ২৪ এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশের ঘেরাটোপের সামনে তৃণমূলের জড়ো করা দুষ্কৃতী বাহিনী রক্তাক্ত হামলা চালায়।
এদিন কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলের অগণতান্ত্রিক মনোভাব ব্যাখ্যা করতে মেদিনীপুরের এই ঘটনা তুলে ধরেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
হাইকোর্টে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এদিনই খড়্গপুর গ্রামীণের একাধিক থানা এলাকায় হয় বিক্ষোভ। 
হামলা এবং বাধা দেওয়ার তথ্য, ছবি সমেত বুধবার  হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ৫১ জন প্রার্থীর পক্ষে চার প্রতিনিধি।  হাইকোর্টের বিচারপতি নির্দেশ দেন যেহেতু চার প্রার্থী নিজেরা হাইকোর্টে হাজির, তাঁরা সবাই বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেবে। তার জন্য জেলা পুলিশ প্রশাসন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য থাকবে। 
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মনোনয়ন জমা দেন
সুকুমার আচার্য, অজয় মিত্র, সোমনাথ দেব, উত্তম চক্রবর্তী। এই প্রার্থীদের পক্ষে সুকুমার আচার্য বলেন, হাইকোর্টের এই নির্দেশ প্রমান করে শাসকদল তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসন এক জোট হয়ে সন্ত্রাস নামিয়ে এনে আমাদের ৫১ জন বামপ্রার্থীর উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে মনোনয়ন তুলতে দেয়নি। তিনি  বলেন, গত রবিবার রাতের অন্ধকারে পুলিশ প্রশাসন  সিপিআই(এম) দপ্তরে যে তালা লাগিয়ে অকেজো করে রেখে ছিল বুধবার গোপনে এসে সেই তালা খুলে নিয়ে যায় পুলিশ কর্মীরা। 
এই কো-অপারেটিভ প্রতিনিধি নির্বাচনে মেদিনীপুর শহরের  ৪২ জন,  চন্দ্রকোনা ৩,  খড়্গপুর শহর ৫, কেশপুর ১ জন প্রার্থী রয়েছে। তাহলে এত বহিরাগত ১৪৪ ধারার মধ্যে ঢুকলো কী করে, উঠেছে সেই প্রশ্ন। 

Comments :0

Login to leave a comment