China Britain

কানাডার পর ব্রিটেনও সঙ্গী চীনের, হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক

সমঝোতা সইয়ের পর শি জিনপিঙের সঙ্গে সফররত কের স্টার্মার।

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলেই আঁতকে উঠছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটেনকে দিয়েছেন হুমকি। আরও বেশি শাসাচ্ছেন কানাডাকে। 
আমেরিকা যত বেশি করে আমদানি শুল্ক চাপাচ্ছে, নতুন শর্ত আরোপ করছে, বিশ্বের বহু দেশ বাণিজ্যের বিকল্প পথ তৈরি করছে। চীনের সঙ্গে চলছে বাণিজ্য আলোচনা। 
আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘‘কানাডা ভালো করছে না। ব্রিটেনের থেকেও কানাডার ক্ষেত্রে তা বেশি বিপজ্জনক হতে চলেছে।’’
চলতি সপ্তাহেই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বোঝাপড়া থামাতে কানাডাকে শুল্কের হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও কয়েকদিন আগে চীন সফর সেরে এসেছেন। যেমন চীনে গিয়েছে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কের স্টার্মার। 
ব্রিটেন বা কানাডা বরাবর আমেরিকার সঙ্গী দেশ। কিন্তু ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফায় বিগড়ে যাচ্ছে সম্পর্ক। 
ব্রিটেন সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছেন, চীনের সঙ্গে ব্যবসা করা ব্রিটেনের পক্ষে মোটেই ভালো হচ্ছে না। বস্তুত খুবই বিপজ্জনক হতে চলেছে। 
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০, ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বলা হয়েছে রীতি মাফিক স্টার্মারের সফর পরিকল্পনা আগাম অন্যদের জানানো হয়েছি। আমেরিকাকেও জানানো হয়েছিল 
স্টার্মার চীন সফর প্রসঙ্গে বলেছেন, রাষ্ট্রপতি শি জিনপিঙের সঙ্গে অত্যন্ত ফলদায়ী বৈঠক হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। ঠিক যেমন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আমরা চেয়েছিলাম তেমনই সমঝোতা হয়েছে। 
আমেরিকাই ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সঙ্গী। চার নম্বরে রয়েছে চীন। চীনে ব্রিটিশ চেম্বার অব কমার্সের ক্রিস টরেন্স সংবাদ প্রতিষ্ঠান বিবিসি-কে বলেছেন, চীনের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রিটেন এটা ভালো দিক। আমেরিকা কখন কার ওপর কত হারে শুল্ক বসাবে কেউ জানে না। চীনের সঙ্গে ব্যবসা করলে শুল্ক বসছে বা বসানোর হুমকি দিচ্ছে ওয়াশিংটন। কিন্তু ঘটনা হলো আমেরিকা নিজে ভালো মতো ব্যবসা করছে চীনের সঙ্গে। এপ্রিলে ট্রাম্পকেও আসতে হতে পারে চীনে। 
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিসরে আমেরিকার চালানো এই ‘জঙ্গলের রাজত্ব’ ঘিরে প্রতিবাদ আগেও জানিয়েছে কানাডা। দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কার্নি বলেছিলেন যে নির্দিষ্ট বিধির ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলির সম্পর্ক ঠিক হওয়া উচিত।

Comments :0

Login to leave a comment