TMC

কমিশনের কাছে দলের নাম এবং প্রতীক জমা দিলে তৃণমূলে দুই শিবিরই

জাতীয় রাজ্য

দলের নাম এবং প্রতীক দুই ফ্রিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প নাম এবং প্রতীক কমিশনের কাছে জমা করলো তৃণমূলের দুই পক্ষই। সূত্রের খবর ঋতব্রত ব্যানার্জিদের পক্ষ থেকে দুটি নাম কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। যথাক্রমে জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতীক হিসাবে তিনটি বিকল্প পাঠানো হয়েছে – টর্চ, খাম এবং ব্ল্যাক বোর্ড।
অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকেও পাঠানো হয়েছে নাম। মমতা ব্যানার্জির অংশের পক্ষ থেকে যেই নাম গুলো পাঠানো হয়েছে তা হলো সর্বভারতীয় তৃণমূল মমতা কংগ্রেস, সর্বভারতীয় মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবংে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস। কালীঘাট তৃণমূল দু’টি বিকল্প প্রতীকের কথাও কমিশনকে জানিয়েছে বলে ওই সূত্রের দাবি। তার একটি হল ফুটবল পায়ে ফুটবলার। অপরটি হল ক্রিকেট ব্যাট।
শুক্রবারের মধ্যে দলের নাম এবং প্রতীকের তিনটি করে বিকল্প দুই শিবিরকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কমিশনের পক্ষ থেকে। সেইসঙ্গে দলের নাম এবং প্রতীক দুয়েরই ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। 
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জির অনুগামী অংশ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জির অংশের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠকের পরে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 
এদিন বেলা ১১ টার মধ্যে বিকল্প হিসেবে দলের তিনটি নাম এবং তিনটি প্রতীক জমা দেওয়ার কথা ছিল। সূত্রের খবর গতকাল রাতেই জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর নাম এবং প্রতীক পাঠিয়েছে ঋতব্রতরা। অন্যদিকে কালীঘাটের পক্ষ থেকে গতকাল রাতেই মেইল করা হয়েছে নাম এবং প্রতীক। শুক্রবারই নির্বাচন কমিশন দুই অংশকে আলাদা আলাদা নাম এবং প্রতীক বেছে দেবে। 
সামনেই পশ্চিমবঙ্গের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। দুই অংশই আলাদা আলাদা করে প্রার্থীপদে নাম জমা দিয়েছে। ফলে কে তৃণমূলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে তা নির্ধারণ করা জরুরি ছিল। কমিশনের কাছে দুই অংশই দাবি জানিয়েছিল। তবে দুপক্ষেরই দাবি খারিজ করেছে কমিশন। 
সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, তৃণমূলের বিভিন্ন অংশের কথা জানা যাচ্ছে। কেউ কালিঘাট পন্থী, কেউ নবান্ন পন্থী, কেউ দিল্লি পন্থী। কিন্তু ঘটনা হলো বিরোধীদলের ভূমিকায় তৃণমূলের কেউ নেই। আরএসএস বরাবর তৃণমূলকে সহায়তা দিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল বিজেপিকে সাবালক হতে সাহায্য করেছে। আরএসএসেরই নির্দেশে বিরোধী দলের জায়গা থেকে সরে গিয়েছে তৃণমূল।

Comments :0

Login to leave a comment