বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুম গুলো কোনও নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে না তো? বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুমের তালা খোলার সরকারি নির্দেশিকায় বললেন এসএফআই রাজ্য সম্পদক দেবাঞ্জন দে। এসএফআই দাবি করেছে অবিলম্বে অডিট রিপোর্ট কলেজের ওয়েবসাইটে দিতে হবে। তৃণমূলের চুরির হিসাব বিজেপির আলমারিতে লুকিয়ে রাখলে চলবে না।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকারি, সরকারি-সাহায্যপ্রাপ্ত এবং পূর্বে স্পনসরড কলেজগুলির অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ-ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক-ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনুরোধ করা হচ্ছে যে, ক্যাম্পাসের মধ্যে কোনো ছাত্র সংসদের কক্ষ বা অন্য কোনো কক্ষ যদি অননুমোদিতভাবে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকে, তবে জরুরি ভিত্তিতে তা খুলতে হবে। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং কলেজের অন্তত ৫ জন স্থায়ী কর্মীর উপস্থিতিতে তালাবদ্ধ কক্ষগুলি খুলতে হবে। তালা খোলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে নথিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কক্ষের ভেতরে পাওয়া সামগ্রীর একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং তাতে উপস্থিত সকল কর্মীর স্বাক্ষর থাকতে হবে। যদি কোনও অননুমোদিত বা সন্দেহজনক সামগ্রী পাওয়া যায়, তবে অবিলম্বে প্রশাসক বা পরিচালন সমিতি এবং ডিপিআইকে জানাতে হবে।
দেবাঞ্জন প্রশ্ন তোলেন, এই নির্দেশিকার মাধ্যমে বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুম গুলো কোনও নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে না তো? এসএফআই রাজ্য সম্পদক দেবাঞ্জন দে বলেন, "কলেজের ইউনিয়ন রুম গুলো শেষ ১৫ বছর ধরে সমাজবিরোধীদের আখড়া ছিল। সেখান থেকেই ক্রাইম সিন্ডিকেট থ্রেট সিন্ডিকেট পরিচালনা করা হতো। সেই ইউনিয়ন রুমের তালা খুলে ছাত্র ভোট না করেই একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনকে সেই খানে বসিয়ে দেওয়া হয় তা ছাত্রছাত্রীরা মেনে নেবে না।"
দেবাঞ্জন দাবি করেছেন যে, ছাত্র ভোট করতে হবে। ইউনিয়ন কারা চালাবে তা ভোটের মধ্যে দিয়েই ঠিক হবে। ক্যাম্পাসের ভিতরে দখলদারি মাতব্বরি চলবে না।
অডিট রিপোর্টের কথা বলা হয়েছে তা এখনও কেন প্রকাশ করা হয়নি? এসএফআই দাবি করেছে অবিলম্বে অডিট রিপোর্ট কলেজের ওয়েবসাইটে দিতে হবে। তৃণমূলের চুরির হিসাব বিজেপির আলমারিতে লুকিয়ে রাখলে চলবে না।"
Comments :0