CJP Dharmendra Pradhan

১৫ দিন অনশনে ওয়াংচুক, ধর্ণা মঞ্চে সুজন-শমীক

জাতীয়

দিল্লির যন্তর মন্তরে ১৫ দিন ধরে অনশন আন্দোলন চলছে। সিজেপি'র ডাকে দেশের ছাত্ররা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলন চালাচ্ছে। এসএফআই সহ বহু বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে। সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে রয়েছেন এসএফআই প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুজন চক্রবর্তী ও শমীক লাহিড়ী। সেই ধর্নায় রবিবার যোগ দেন তাঁরা।  

সুজন চক্রবর্তী বলেন, "আমাদের দেশের ছাত্ররা যন্তর মন্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। এই দেশকে বাঁচাতে হবে, ধ্বংস করা যাবে না। তার জন্যই আন্দোলন করছে। নিট দুর্নীতি সহ নানা অপরাধে অপরাধী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তার শিক্ষামন্ত্রী পদে থাকার অধিকার নেই। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী তাকে রক্ষা করছেন। লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে তিনি। এরপরও কেন সরকার সংবেদনশীল হচ্ছে না। সিজেপি'র ডাকে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এখানে আন্দোলন করছে। এই ঐক্য বজায় থাকুক। মানুষের স্বার্থে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং গোটা দেশ জুড়েছে অসভ্যতা চলছে মানুষকে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে তার বিরুদ্ধে ঐক্য জরুরী। পশ্চিমবঙ্গতেও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন তারা রাস্তায় নেমেছে। আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি এবং এই আন্দোলনের পাশে সর্বতোভাবে আমরা রয়েছি।"
শমীক লাহিড়ী বলেন, "ভারতবর্ষের তরুণ প্রজন্মকে অভিনন্দন জানাবো, যে তাঁরা ভারতের সঠিক রোগ তারা নির্ণয় করেছেন। দুর্নীতি এবং মানুষকে ভাগ করবার যে নীতি সরকারের, সেই নীতির বিরুদ্ধে এখানে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। এবং এই আন্দোলন তো শুধু এখানে হচ্ছে না গোটা ভারতব্যাপী ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। শেষ ১৫ দিন ধরে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক সহ অন্যান্যরা অনশনের জন্য বসেছেন।" 
তিনি আরও বলেছেন, "এই সরকার এত অপদার্থ যে তাদের কোনও প্রতিনিধি পাঠিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা বা আলোচনা পর্যন্ত করেননি। এখানে কারোর মৃত্যু হলে দায়ী থাকবে প্রধানমন্ত্রী, দায়ী থাকবে সরকার। সরকার যদি মনে করে আন্দোলন উপেক্ষা করবে তাহলেই উপেক্ষা করতে পারবেন না। এই আন্দোলনই বিজেপি সরকারকে শিকর থেকে উপরে ফেলবে।"

 

Comments :0

Login to leave a comment