Abhishek Banerjee

অভিষেকের নিশানায় তৃণমূলের মুকুল, বিজেপির শুভেন্দু

রাজ্য কলকাতা

‘বেইমান মুকুল শুভেন্দুকে আমিই চিহ্নিত করেছিলাম।’ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের সভা থেকে একথা বললেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন, ‘‘ দলের সঙ্গে যাঁরা বেইমানি করেছিলেন, সেই মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীদের কিন্তু আমিই চিহ্নিত করেছিলাম। এ বারও বেইমানদের লেজেগোবরে করার দায়িত্বটা আমি নিলাম। হোয়াট্‌সঅ্যাপে রাজনীতি না করে মানুষের পাশে দাঁড়ান। রাস্তায় নেমে কাজ করতে হবে।’’
উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন শুভেন্দু অধিকারি। তার আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন মুকুল রায়। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর মুকুল তৃণমূলে ফিরেছে। অভিষেক সেই সময় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তৃণমূলের। তার উপস্থিতিতেই তৃণমূলে ফেরেন অভিষেক। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ‘বেইমান’ মুকুলকে কেন দলে ফেরানো হলো? আর দলে ফেরানো হলেও তার বিরোধীতা কেন করলেন না অভিষেক? 
এদিন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের মুখে রাজ্য সরকারের কোন প্রকল্পের কথা শোনা যায়নি। উল্টে তার লোকসভা এলাকা ডায়মন্ড হারবারে যেই সেবাশ্রয় চালু হয়েছে তার কথা বলতে শোনা যায় অভিষেককে।
আরজি কর কাণ্ডের দোষীদের শাস্তির কথা না বলে তৃণমূল সাংসদ বলেন, সন্দেশখালি থেকে আরজি কর ঘটনা সব কিছু নিয়ে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সন্দেশখালি থেকে আরজি কর এই দুই ঘটনা চাপে ফেলেছে তৃণমূলকে। সন্দেশখালি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যেই অত্যাচার শাহজাহান বাহিনী চালিয়েছে তা সামনে আগে গত বছরের শুরুতে। ভেরি দখল থেকে জমি দখল সব কিছু হয়েছে ওই তৃণমূল নেতার নেতৃত্বে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ পুলিশে জানাতে গেলেও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।
৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য। ঘটনায় নাম জড়ায় শাসক দল ঘনিষ্ট একাধিক চিকিৎসকের। সেই সময় সামনে আসে হাসপাতালে দুর্নীতিচক্র। নাম জড়ায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের। সন্দীপকে আড়াল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে রাজ্য সরকার।

Comments :0

Login to leave a comment