MD SALIM

অভিষেকের পরিচয় দিতে সিবিআই’র ভয় কিসের, প্রশ্ন সেলিমের

রাজ্য

বৃহস্পতিবার কলকাতায় মুজফ্‌ফর আহমদ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে মহম্মদ সেলিম।

এতদিন পরে বলছে টাকা পয়সা ভাগাভাগি হচ্ছিল। অভিষেকের পরিচয় দিতে সিবিআই’র সাহস হয় না কেন? মোহন ভাগবত, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী- কার ভয়ে?
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই’র চার্জশিট প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তিনি।
সিবিআই যে দুর্নীতির তদন্তে তার দায়িত্ব পালন করছে না, সে অভিযোগে ফের সরব হয়েছেন সেলিম। রাজ্যে তৃণমূল সরকার এবং কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের মধ্যে বোঝাপড়ায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে দুর্নীতির তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন সেলিম।
এদিন কলকাতায় সিপিআই(এম) রাজ্য দপ্তর মুজফ্‌ফর আহমদ ভবনে সেলিম বলেন, প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি চলছিল রাজ্যে। তা এখন থেকে পরিপূরক সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতিতে তৃণমূলকে আড়াল করতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ব্যবহার করছে কেন্দ্রের বিজেপি।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই’র অতিরিক্ত চার্জশিট প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘এত ভয় কিসের। এতদিন তদন্ত করার পর পরিচয় জানা গেল না?’’ 
সেলিম বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত আমরা দেখছি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র বলেছিলেন, আমার মালিককে কেউ ছুঁতে পারবে না। সুজয়কৃষ্ণ তো ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-র কর্মচারী। মালিক কে জানে না সিবিআই? 
সেলিম বলেন, আমরা সংসদে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে বলেছিলাম শেল কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সব ভুয়ো সংস্থার কোনও কাজ থাকে না, অথচ তাদের কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ব্যালান্স। এ তো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। বিজেপি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। কারণ তৃণমূল যা করে বিজেপি-ও তো সেভাবেই দুর্নীতি করে। বিজেপি মধ্য প্রদেশে এমনই দুর্নীতি করেছে যাকে ‘ব্যাপম কেলেঙ্কারি’ বলা হয়। অভিযোগ এবং তদন্তে মাঝে সাক্ষী, সাংবাদিক মামলায় জড়িত একশোজনকে খুন করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। 
সেলিম বলেন, আমরা বলেছিলাম যে শিক্ষক দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা পাচার হয়েছে। আমরা বিশদে তথ্য দিয়েছিলাম। আমরা বলতে পারি আর ইডি, সিবিআই জানে না? 
সেলিম প্রশ্ন তোলেন যে এমপি’র ফুটবল ক্লাব, এমপি’র নামে হোর্ডিং, বিজ্ঞাপন বিপুল অর্থ খরচ করে। এরপরও কেন বোঝা যায় না!

Comments :0

Login to leave a comment