রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রের সিবিআই-ও সন্দীপ ঘোষেরই পক্ষে। আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগ প্রথম তুলেছিলেন তিনিই। তাঁর বিরুদ্ধেই সিবিআই কোর্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে একথা বলেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি সরকারের কাছে দুর্নীতির অনেক অভিযোগ করেছিলেন, দুর্নীতির কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এতটাই ক্ষমতাশালী ওই সন্দীপ ঘোষ। হয়নি কারণ রাজ্য সরকার তার পক্ষে। আসলে দিল্লির সিবিআইও যে তারই সঙ্গে সেটাই আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেলো। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ জানিয়েছে তার বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার যে মনোভাব সেই একই মনোভাব সিবিআইও নিয়েছে । আসলে সিবিআই'র কাজ হচ্ছে রাজ্য সরকারকে সন্তুষ্ট করে চলা। দিল্লিতে বসে সিবিআইয়ের প্রভুরা যে নির্দেশ দিয়েছেন সেই কাজই এখানে হয়েছে। হয়তো তার অংশ হিসাবেই গ্রেফতারি পরোয়ানা
এসেছে।
কসবায় সোনা পাপ্পু ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন তিনি বলেন, প্রপার কলকাতা শহরের বালিগঞ্জের, গোলপার্কের পাশে সবার চেনা জায়গা সেখানে যেভাবে গোলাগুলি চলেছে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করা হয়েছে। তার মূল অভিযুক্ত কে যারা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ। সোনা পাপ্পু না কে যারা তৃণমূলের নেতাদের হয়ে বকলমে দালালি করে। সেই কারণেই এদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি।
পাশাপাশি বাজেট প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, কালকে যেটা করার কথাছিলো ভোট অন একাউন্ট সেটা সাময়িক। সেটাকে করা হলো ভোটের জন্য বাজেট। সেকারণেই সময় অল্প তাই অগাস্ট মাসে কোন টাকা দেবে তাও ঘোষণা হয়ে গেলো। অগাস্ট মাসে এই সরকার থাকবে কিনা তার ঠিক ঠিকানা নেই। কার্যত অসভ্যতা করছে সরকার। মানুষের নিজস্ব অভন্তরীন শক্তিকে ব্যবহার করা, তার কাজের অধিকারকে ব্যবহার করা যা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে তা না করে। টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন উনি।
Comments :0