ভারত- বাংলাদেশ স্থলবানিজ্য কেন্দ্রের বাণিজ্যই এখন প্রশ্ন চিহ্নের মুখে! ওভারলোডিংয়ের কড়াকড়িতে চ্যাংরাবান্ধায় বৈদেশিক বাণিজ্যে মন্দায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী থেকে লরির মালিক, চালক - সহকারী থেকে শ্রমিক -মজদুররা। উল্লেখ্য এই স্থল বাণিজ্য কেন্দ্র দিয়ে বাংলাদেশ থেকে নানাবিধ জিনিস আমদানী হলেও এখান থেকে আপাতত শুধু মাত্র বোল্ডার রপ্তানী হয়। সরকারি নিয়মের বেড়াজালেই রপ্তানী বাণিজ্যে মন্দা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের ৮ তারিখে ৭৯ টি পণ্যবাহী লরি বাংলাদেশে গেলেও পরদিন থেকে পণ্যবাহী গাড়ির সংখ্যা এক অংকের সংখ্যায় নেমে এসেছে! অতীতে এরকম কখনো হয় নি। করনার পর পণ্য রপ্তানি স্বাভাবিক হলেও ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল চ্যাংরাবান্ধা স্থল বাণিজ্য কেন্দ্রে। কিছুদিন আগেই নজরে আসে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী বোল্ডার বোঝাই লরি ওভারলোড করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছিল। এরজন্য লরি চালকেরা বেশি ভাড়াও নিত ব্যবসায়ীদের থেকে। এই অসাধু চক্র এতদিন ব্যবসা চালালেও সম্প্রতি পুলিশের কড়াকড়িতে ব্যবসা বন্ধ করেছে। অন্য বোল্ডার ব্যবসায়ীরা চড়া দামে বোল্ডার কিনে বাংলাদেশে রপ্তানি করতে রাজি নয়।ফলে হু হু করে কমেছে রপ্তানী বাণিজ্য।
সম্প্রতি পুলিশ প্রসাশন কড়া হতেই ওভারলোডিং লরি বাংলাদেশে যেতে পারছে না। ফলে ব্যবসায়ীরা বোল্ডার বাংলাদেশে পাঠানো বন্ধ করেছে। এদিকে উত্তরবঙ্গের নদীগুলি থেকে আগের মত পাথর উত্তোলন হচ্ছে না। দাম বেড়েছে অনেকটাই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন চড়া দামে বোল্ডার কিনে বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব নয়। এছাড়াও ওভারলোডিং বন্ধ। আর এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে রপ্তানী ব্যবসা বন্ধের মুখে।
রপ্তানি বাণিজ্যে নজিরবিহীন মন্দার কারণ প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং বোল্ডার জোগান ও চড়া দাম। স্থল বাণিজ্য কেন্দ্র সূত্রের খবর গত ১০ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত বোল্ডার নিয়ে বাংলাদেশে প্রতিদিন দু চারটি লরি গেছে। এরকম চলতে থাকলে চ্যাংরাবান্ধা স্থল বাণিজ্য কেন্দ্রে রপ্তানী অদূর ভবিষৎয়ে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
Changrabandha
নিয়মের বেড়াজালে রপ্তানী বাণিজ্যে মন্দা চ্যাংরাবান্ধায়
ফাইল ছবি
×
Comments :0