Mamata TMC

শুভেন্দুর সাথে সাক্ষাতের পরই প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করলেন নন্দীগ্রামের মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী

রাজ্য

আগামীকাল রাজ্যের দুই আসনের উপ-নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। তার আগেই হঠাৎ করে গতকাল রাতে ময়দানের পিডব্লুডি টেন্টে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাথে দেখা করে নাম প্রত্যাহার করলেন নন্দীগ্রামের মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। এদিনের এই সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছিল জল্পনা। এই ক্ষেত্রে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আর কোন ভাবে প্রার্থী দেওয়া সুযোগ হবে না। কারণ মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনও শেষ।
নন্দীগ্রাম থেকে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসও প্রার্থী দিয়েছে। ফলে সঞ্চিতা প্রধান দে যদি মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বিপাকে পড়লো মমতা শিবির। 
উল্লেখ্য ফলতা বিধানসভার নির্বাচনের সময়ও নির্বাচন থেকে সড়ে এসেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। মনে রাখা দরকার শুভেন্দু অধিকারী যখন তৃণমূলের নেতা ছিলেন তখন মেদিনীপুর, মূর্শিদাবাদে একই কায়দায় বিরোধী প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহার করিয়ে তৃণমূলকে জয়ী করেছিলেন বিভিন্ন নির্বাচনে।
নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা হাঁসিরাণী রথ। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা রয়েছে ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তী সময় তিনি নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। অন্যদিকে রেজিনগর এবং ভরতপুর থেকে জয়ী হন হুমায়ুন কবীর। রেজিনগর আসন তিনি ছেড়ে দেন, তার জায়গায় ওই কেন্দ্র থেকে নিজের ছেলেকে প্রার্থী করেছেন হুমায়ুন।
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরপরই ৬ মে মধ্যমগ্রামে খুন হন শুভেন্দু অধিকারীর আত্মসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তা নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপান্তর। সেই ঘটনার সিবিআই তদন্ত এখনও চলছে। উল্লেখ্য এর আগে প্রদীপ ঝা, শুভব্রত চক্রবর্ত্তী, পুলক লাহিড়ী নামে তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়। যারা শুভেন্দু অধিকারীর সিকিউরিটি গার্ড ও ছায়া সঙ্গী ছিলেন। এঁরা প্রত্যেকেই শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত কাছের ও বিশ্বস্ত ছিলেন।
অন্যদিকে শুক্রবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম চিহ্নিন নির্বাচনী প্রতীক হিসাবে দিয়েছে কমিশন। ওই কেন্দ্র থেকে আইএসএফও প্রতিদ্বন্দিতা করছে। তাদেরও চিহ্ন খাম। ফলে দুই দলের দুই প্রার্থী একই চিহ্ন নিয়ে কখনই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে পারে না। সেই ক্ষেত্রে আইএসএফের চিহ্ন কমিশন বদলায় কি না সেই দিকে থাকবে নজর।  
.

Comments :0

Login to leave a comment