CPIM KOLKATA

বিভাজন রুখে রুটি-রুজির লড়াই জোরদার করার আহ্বান কলকাতার দুই মিছিলে

কলকাতা

বিভাজন, সাম্প্রদায়িকতা, এসআইআর হয়রানি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, শ্রমকোড লাগু করা সহ একাধিক নাগরিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত এবং যাদবপুর ৮বি থেকে টালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত দুটি মিছিল করেন কলকাতা জেলা বামপন্থী দলসমূহ। 
এদিন সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কল্লোল মজুমদার, সিপিআই(এম) রাজ্য কমিটির সদস্য তরুণ ব্যানার্জি সহ  নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি, যাদবপুর ৮বি'র মিছিলটিতে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ সেনগুপ্ত সহ বামপন্থী নেতৃবৃন্দ। ওষুধ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, এসআইআর-এ সাধারণ মানুষের যে হয়রানি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার স্লোগান শোনা যায় এদিনের মিছিল থেকে। পাশাপাশি এই সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সাধারণ মানুষকেও এক হওয়ার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

এদিনের মিছিলে কল্লোল মজুমদার বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্দশা দিন দিন বেড়েই চলেছে এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে পুঁজির লুটের কারবার চলছে। সেই লুঠকে সমস্তরকম মদত দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের সরকার। অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং এসআইআরের নাম করে মানুষের ব্যাপক হয়রানি, রাজ্যে কর্মসংস্থান ভীষণভাবে আক্রান্ত। বেকার যুবকরা অন্যরাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে। সেখানে গিয়ে বাংলাভাষায় কথা বলার জন্য তাঁদের বাংলাদেশি বলে শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজ্য সরকার।" 
পাশাপাশি আনন্দপুরের কারখায় আগুন লেগে শ্রমিকদের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, "১৬ জন নিখোঁজ এবং ৮ জন মারা গেছে বলেছে কিন্তু ইতিমধ্যে ১১ জন মারা গেছে তার খবর আমাদের কাছে আছে। বাকি যারা তারা কোথায়? আসলে পুলিশ প্রশাসন তথ্য গোপন করার চেষ্টা করছে। এই কাজ তারা মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বেই করছে। যেভাবে উনি ফাইল লোপাট করেছেন, যেভাবে অভয়া কাণ্ডের সমস্ত প্রমান লোপাটের জন্য প্রশাসনকে উনি কাজে লাগিয়ে ছিলেন সেই ভাবেই এই ঘটনাটিকেও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। রাজ্যের মানুষ ক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে।"

Comments :0

Login to leave a comment