কলকাতার নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক নিখোঁজ। এখনও পর্যন্ত জেলায় ২৩জন নিখোঁজ রয়েছে। যাদের কিছুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। জেলার তমলুক, ময়না, পাঁশকুড়া, নন্দকুমার, মারিশদা, সুতাহাটার বাসিন্দারা নিখোঁজ। বৃহস্পতিবার পাঁশকুড়া ও সুতাহাটায় নিখোঁজদের বাড়িতে গিয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ।
এদিন পাঁশকুড়ার পূর্ব চিল্কা গ্রামে গিয়ে নিখোঁজ শ্রীকৃষ্ণ মাইতি, জয়দেব মাজীর পরিবারের লোকেদের সাথে কথা বলেন সিপিআই(এম) নেতা অলোকেশ দাস, ইব্রাহিম আলি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে সুতাহাটা ব্লকের কুকড়াহাটি অঞ্চলের হরিবল্লভপুর ও গাজীপুরের মোট ৪ জন শ্রমিক ছিল। তার মধ্যে আহত সুজিত গউনিয়া, মানব খাঁড়া। আর এখনও নিখোঁজ সুব্রত খাঁড়া, নন্টু খাঁড়া। তাদের পরিবারের পাশে সিপিআই(এম) ও সিআইটিইউ'র প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন পরিতোষ পট্টনায়ক, অশোক পাত্র, গোলাম রসুল, সুব্রত শিকারি, শেখ ফরিদুল। দুই প্রতিনিধি দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, "অসহায় পরিবারগুলির যে অবস্থা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। সরকারের কাছে আবেদন শুধু ক্ষতিপূরণ নয় পরিবারের একজন করে চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা সহ অন্যান্য দায়ভার সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। সেই সঙ্গে অবৈধভাবে জলাজমি ভরাট করে কি করে এইসব কাজকর্ম ঘটেছিল এদের পেছনে কাদের কাদের হাত রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সেই সঙ্গে নেতৃবৃন্দ বলেন বামফ্রন্ট সরকারের সময় যে হলদিয়াতে বাইরে থেকে মানুষ কাজ করতে আসত এতটাই কাজের প্রয়োজন ছিল। আজকে তৃণমূল বিজেপির সরকারের সময়ে হলদিয়া থেকে আমার আপনার পরিবারের ছেলেদেরকে বাইরে কাজ করতে চলে যেতে হচ্ছে। এতটাই কর্মসংস্থান হীনতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হলদিয়াতে। তারই প্রতিফলনে আমার হলদিয়া পাঁশকুড়া সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অসহায় বেকার যুবকদেরকে এইভাবে পুড়ে মরতে হচ্ছে। যা এই জেলার মানুষের হওয়ার ছিল না।"
Comments :0