Post Editorial

শতবর্ষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সংগঠন

উত্তর সম্পাদকীয়​

Post Editorial Ganashakti

১৯১৭-র রুশ বিপ্লবের প্রভাব আছড়ে পড়েছিল ঔপনিবেশিক দেশগুলিতে। ব্রিটিশ ভারতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। একদিকে শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন অন্যদিকে জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারিত হয়। এআইটিইউসি গড়ে উঠল ১৯২০ সালে। আর ১৯২১ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন গান্ধীজী। সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ভারতীয় জনগণের এই লড়াইয়ের প্রভাব পড়ল কলকাতার কারেন্সি অফিসে, যে অফিসের কাজ ছিল দেশের টাকা পয়সা সরবরাহ সুনিশ্চিত করা ও তার দেখাশোনা করা, তদানীন্তন অর্থমন্ত্রকের অংশ হিসাবে কারেন্সি কন্ট্রোলারের তত্ত্বাবধানে। ১৯২২ সালে এই অফিসের কর্মীরা কারেন্সি এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করলেন। ২০২২-এ তার শতবর্ষ। গঠিত হলো ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ১৯৩৫ সালে। কারেন্সি এমপ্লয়িজ অ্যা‍‌সোসিয়েশন, কলকাতা পরিণত হলো  রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কলকাতায় এই সংগঠন দেশের প্রাচীনতম ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের অন্যতম।
সংগঠনের সূচনা পর্বে ঘোষণা করা হয়  ‘‘ In the age of civilization,progress and changed conditions, the Association may be pardoned if it aspires that the relation between the master and servant of the olden days, should in its opinion be replaced by one of respect and sympathy”   

 

 


সহজেই অনুমেয়, আন্দোলন নয় আবেদন-নিবেদনই কর্মচারী ও তার অ্যাসোসিয়েশনের তদানীন্তন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। লড়াইয়ের মানসিকতা বলতে যা আমরা বুঝি তখন তা ছিল না। মধ্যবিত্তসুলভ ‘বাবু মানিসকতা’ ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘাত-প্রতিঘাতে অর্থনীতি ও স্বীকৃত সামাজিক মূল্যবোধগুলি যখন ভেঙে পডতে থাকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যায়, সারাদেশ জুড়ে নেমে আসে আকাল। তখন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরাও অন্যান্য কর্মচারীদের মত যুদ্ধকালীন ভাতা ও সস্তায় খাদ্যশস্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করার দাবি জানায়। দাবি মঞ্জুরও হয়।
এই পটভূমিতে ১৯৪৪ সালে এলেন তরুণ প্রজন্মের কর্মচারীরা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে। পুরোভাগে এলেন কমরেড আশিস সেন। পরিবর্তন সূচিত হলো। প্রক্রিয়া শুরু হলো একটি লড়াকু ট্রেড ইউনিয়ন তৈরি করার। কর্মচারীদের মানসিক গঠনে পরিবর্তন আনা খুব সহজ কাজ ছিল না। এই কঠিন কাজটাই করলেন কমরেড আশিস সেন-এর নেতৃত্বে তরুণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মীরা। ইতিমধ্যে বাইরের রাজনৈতিক আবহাওয়া আরও উত্তপ্ত হচ্ছিল। চরম আর্থ-সামাজিক বিপর্যয়, বেকারি, দুর্ভিক্ষে বিধ্বস্ত দেশবাসী ঔপনিবেশিক শাসনকে আঘাত হানতে বদ্ধপরিকর ছিল। দিকে দিকে জনগণ জেহাদ ঘোষণা করছে, শ্রমিক আন্দোলনও উত্তাল হয়ে উঠেছে।

 

 

 সংগ্রামের তরঙ্গশীর্ষে তেভাগা, রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি, রশিদ আলি দিবস, আজাদ হিন্দ বীর সেনানীদের একের পর এক রক্তাক্ত লড়াই। সর্বোপরি নৌ-বিদ্রোহ—তার সমর্থনে ব্যারিকেডের লড়াই। এগিয়ে এলেন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা। ২১ এপ্রিল, ১৯৪৬ কমরেড নরেশ পাল, কমরেড প্রভাত কর, কমরেড সুধীন বিশ্বাস, কমরেড আশিস সেন, কমরেড এইচ এল পরোয়ানা, কমরেড তারকেশ্বর চক্রবর্তী প্রমুখ তরুণ ব্যাঙ্ক কর্মীদের উদ্যোগে গঠিত হলো অল ইন্ডিয়া ব্যা ঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।
এই ঘটনাপ্রবাহের সামগ্রিক প্রভাবে ১৯৪৮ সালের ১৭ আগস্ট সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের লাগাতার ধর্মঘটের সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গের সমগ্র ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরাও এই ধর্মঘটে শামিল হলেন। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনের ইতিহাসে এই ছিল প্রথম ধর্মঘট। উল্লেখ্য, সেই সময় ৭১ জন অস্থায়ী কর্মচারী কর্তৃপক্ষের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করেন এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে কোনরকম দুঃখপ্রকাশসূচক চিঠি দিতে অস্বীকার করে। ওই সময় লয়েডস ব্যাঙ্কের সংগ্রামরত কর্মচারীদের সমর্থনে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা বিভিন্নরকম কর্মসূচি গ্রহণ করেন। এই পর্বটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই কারণে যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা এই প্রথম বৃহত্তর ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনে সক্রিয় শরিক হন। স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৪৯ সালে যখন এ দেশের জাতীয় নেতৃবৃন্দ দেশের প্রাইভেট ব্যাঙ্ক মালিকদের নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে নীরবতা পালন করছিলেন শ্রেণিগত কারণে তখন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মচারী আন্দোলন সরাসরি ব্যাঙ্ক জাতীয়করণের দাবি তুলেছিল।
এআইবিইএ ১৯৫৬ সালের ৬ ও ৭ জানুয়ারি কর্মচারীদের দাবিপূরণে কর্তৃপক্ষের উদীসীনতার বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেয়। পণ্ডিত নেহরুর আবেদনকে অগ্রাহ্য করে কর্মচারীরা ধর্মঘটে এগিয়ে আসেন। ৪ জানুয়ারি গভীর রাতে গ্রেপ্তার হয়ে যান কমরেড আশিস সেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তাঁদের গ্রেপ্তারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সমস্ত কেন্দ্রে কর্মচারীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সফল ধর্মঘটের ফলে সরকার নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
১৯৬৬ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে কমরেড আশিস সেন ও কমরেড রামকৃষ্ণ পাণ্ডাকে শোকজ করে। প্রতিবাদে ১০ দিনব্যাপী লাগাতার গণডেপুটেশন চলতে থাকে। ৫০০ জন তরুণ অস্থায়ী কর্মচারীও এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে শামিল হয়। এর সমর্থনে ডালহৌসির অফিসপাড়ায় বিভিন্ন অফিসের কর্মচারীরা বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে শামিল হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছিল। ঘটনাটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কলকাতাকে সামগ্রিক ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের পাদপ্রদীপে নিয়ে আসে।

 

 

 


১৯৭০ সালের ১৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের যুক্তফ্রন্টের সরকার পতন ঘটানোর পর শুরু হয়ে যায় রাজ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন খর্ব করার জন্য ব্যাপক দমনপীড়ন ও নির্যাতন। সিআরপি, পুলিশ-মিলিটারি দিয়ে গণ-আন্দোলন স্তব্ধ করার জন্য শাসকশ্রেণি মরিয়া হয়ে ওঠে। গুন্ডা দিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন অফিস দখল করার অপচেষ্টা দলমত নির্বিশেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেয়। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরাও এই আধা ফ্যাসিবাদী আক্রমণের শিকার হন। তরুণ রিজার্ভ কর্মী অজয় সান্যালকে পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রিজার্ভ ব্যাঙ্কে অর্ধদিবস ধর্মঘট পালিত হয়। ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি কমরেড হরেন ভট্টাচার্য, কমরেড অসিত দাশগুপ্ত ও কমরেড তপন দত্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে ও দীর্ঘদিন বিনা বিচারে জেলে আটক করে রাখে। এই সমস্ত আক্রমণ মোকাবিলা করতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা সোচ্চারে প্রতিবাদ করে ও ধর্মঘটও করে।

 

 


১৯৭৯ সালে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ন্যায্য মহার্ঘ ভাতা দিতে কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা আন্দোলনে নামলে সরকার এসমা জারি করে। আন্দোলন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, কেন্দ্রীয় সরকার অর্ডিন্যান্স জারি করে। দেশব্যাপী রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনের বহু নেতা ও কর্মীকে চার্জশিট দেওয়া হয়, ১৭ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়, বেশ কয়েকজনকে জেলে পাঠানো হয়। সুদীর্ঘ ৮১ দিন লড়াইয়ের পর কর্মচারীরা জয়ের ইতিহাস রচনা করে। এই লড়াইয়ে গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এ‍‌ই লড়াই ছিল শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
এইভাবেই এগিয়েছে ইতিহাস। গত শতাব্দীর ৫০-৬০-৭০-৮০’র দশক জুড়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলন সামগ্রিকভাবে দেশের ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনকে শক্তিশালী ও সংহত করতে এভাবেই পরিপূরকের ভূমিকা পালন করেছে। 

 

 

 

অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ নানাভাবে কর্মচারী ও কর্মচারী সংগঠনকে জব্দ করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালিয়ে গেলেও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে সেগুলো ব্যর্থতায় নানাভাবে কর্মচারী ও কর্মচারী সংগঠনকে জব্দ করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালিয়ে গেলেও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে সেগুলো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। ফলে আক্রমণের ধরন বদলাতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় কর্তৃপক্ষ একদিকে নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় যা প্রায় দু’দশক ধরে চলে। পাশাপা‍‌শি কর্মচারী সংখ্যা কমানোর জন্য Optional Early Retirement Scheme চালু করে হাজার হাজার শূন্যপদকে অবলুপ্ত করে। পাশাপাশি অযৌক্তিক গণ পদোন্নতি, ব্যাপক আউটসোর্সিং-এর মধ্যদিয়ে কর্মচারী সংগঠনকে অবলুপ্তির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।

 

 


৯০-এর দশকের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের চিরাচরিত ব্যাঙ্ক নজরদারির কাজ সরকার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হাত থেকে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। সারা দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার-আন্দোলনের মধ্যদিয়ে সারা ভারত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী সমিতি (এআইআরবিইএ) তা প্রতিরোধ করতে সমর্থ হয়। কর্মচারীদের এই প্রচারাভিযানে অর্থনীতিবিদ ভবতোষ দত্ত, অশোক মিত্র, অমিয় বাগচী প্রমুখর দৃঢ় সমর্থন পাওয়া যায়। একইভাবে ২০০৬ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সরকারের সঙ্গে যোগসাজশে চেক ক্লিয়ারিং-এর সার্বিক কাজকে একটি বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা সংসদ অভিযান করে। দেশজুড়ে মিছিল, ডেপুটেশন, ডেমোনেস্ট্রেশন, গণ-কনভেনশন করে জনমত তৈরি করে। সংসদের অভ্যন্তরে কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি, কমরেড রূপচাঁদ পাল, কমরেড বাসুদেব আচারিগা জোরালো বিতর্ক করেন। কাজটি বেসরকারি সংস্থার হাতে যাওয়া আটকানো হয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনে এটি একটি বড় জয়।

 

 


দীর্ঘ দু’দশক ধরে লাগাতর লড়াই করে কর্মচারীরা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বন্ধ নীতি প্রত্যাহার করতে পেরেছে। যার ফলে ২০১১ সাল থেকে আবার নতুন নিয়োগ চালু হয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে অর্থমন্ত্রকের শাখায় পরিণত করতে চাইছে। মনে রাখতে হবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেশের সংসদের কাছে দায়বদ্ধ, কোনো সরকার বা তার অর্থমন্ত্রকের কাছে নয়। এই স্বাধীন স্বতন্ত্র কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক হিসাবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেশে বিরাজ করবে কিনা এটাই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলন তথা সামগ্রিক গণতান্ত্রিক শক্তির কাছে এমুহূর্তের চ্যালেঞ্জ।

 

 


১৯২২ সালে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বহু ঝড়-ঝাপটা সামলে সেই যাত্রা আজও অব্যাহত। দেশের মূল ধারার শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি বজায় রেখে এই ঐতিহ্যপূর্ণ্য শতাব্দীপ্রাচীন সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তরুণ কর্মচারীদেরসহযোগিতায় সমগ্র কর্মচারীবৃন্দ বদ্ধপরিকর। সকল শুভার্থী ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের সহযোগিতায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা এই কাজে সফল হবে, এ বিশ্বাস রাখে সংগঠন।
 

0 Comments

Login to leave a comment