প্রীতম ঘোষ, দীপশুভ্র সান্যাল : জলপাইগুড়ি
দ্বিতীয় দিনে বাংলা বাঁচাও যাত্রা। জলপাইগুড়ি থেকে শুরু হয়েছে সেই কর্মসূচি। ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়িতে বন্যা আক্রান্ত মানুষদের সাথে কথা বলেন সিপিআই(এম) নেতৃত্ব। হয় সমাবেশও। বক্তব্য রাখেন মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখার্জি, আভাস রায়চৌধুরি।
এদিন জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের কালিয়াগঞ্জের সভাস্থলে প্রথমে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এসে হুমকি দেয় সিপিআই(এম) কর্মীদের পতাকা খুলে নেওয়ার জন্য। বলে স্টেজ করে সমাবেশ করা যাবে না। তৃণমূলের হুমকি প্রতিহত করে সমাবেশ করেন সিপিআই(এম) নেতৃত্ব।
সিপিআই(এম) সদর পশ্চিম এরিয়া কমিটির সম্পাদক শুভাশিস সরকার জানান, গতকাল রাত তখন ৯ টা রংধামালি বাঁধের উপর সিপিআই(এম)-র পতাকা লাগাচ্ছিলেন তিনি সহ সিপিআই(এম) কর্মীরা। তৃণমূল কর্মীরা এসে এখানে পতাকা লাগানো যাবে না বলে হুমকি দেয়। ডোডালিয়া চর থেকে রংধামালি পর্যন্ত যেখানে যা লাল পতাকা ছিল সব খুলে ফেলে দেয় তৃণমূল কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের ৪০-৫০ জনের আরেকটি দল কালিয়াগঞ্জ এর মাঠে উপস্থিত হয়। সেখানে রবিবার সভা করা যাবে না বলে জানায়। দ্রুত খুলে নিতে হবে প্যান্ডেল নইলে রাতের বেলায় পুড়িয়ে দেয়া হবে। উপস্থিত সিপিআই(এম) কর্মীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। বিষয়টি জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা এবং পুলিশ সুপারকে জানানো হয়। দ্রুতই কালিয়াগঞ্জের মাঠে পৌঁছায় তিন ভ্যান পুলিশ বাহিনী। রাতে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। রবিবার সকাল ১১ টায় বাংলা বাঁচাও যাত্রা তিস্তা ব্রীজে আসার পর শহর ঘুরে গোশালা মোড় হয়ে কালিয়াগঞ্জে দুপুর ১ টায় মীনাক্ষী মুখার্জি, মহম্মদ সেলিম সভা করেন।
Comments :0