গত বৃহস্পতিবার জামশেদপুরের জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আইএসএলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম পর্বের ম্যাচে মুখোমখি হয়েছিল জামশেদপুর এফসি এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ২-১ গোলে জয় পেয়েছে জামশেদপুর। তবে ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচ চলাকালীন। মোহনবাগানের এক সমর্থকের সঙ্গে বচসায় জড়ায় বেশ কিছু জামশেদপুর এফসির সমর্থকরা। পুলিশ সেই মোহনবাগান সমর্থককে লাঠি চার্জ করে। জামশেদপুর সমর্থকদের আক্রমণে আঘাতপ্রাপ্ত হন সেই সমর্থক। মাথা ফেটে যাওয়ায় তাকে তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয় টাটা মেন হসপিটালে। সেখানেই তার শুশ্রূষা করা হয়। সমর্থকটির নাম রিপন। খেলার শেষে এই সমর্থককে দেখতে আসেন মোহনবাগান সচিব দেবাশীষ দত্ত। এই বিষয়ে গণশক্তি ডিজিটালের পক্ষ থেকে তাকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের জানান ' কালকের ঘটনাটা আমি দেখিনি ।আমি ভিভিআইপিতে ছিলাম । ম্যাচের পর এই ঘটনা জানার পর আমি তার সঙ্গে দেখা করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। কারণ এটাই আমার প্রথম করণীয় বলে মনে হয়েছিল। তারপর তাকে হোটেলে ফিরিয়ে তার ফেরার ব্যবস্থা করি। ছেলেটি আজ ট্রেনে কলকাতায় ফিরেছে '। বারংবার জামশেদপুর স্টেডিয়ামেই দুই প্রধানের সমর্থকদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। এই বিষয়ে দেবাশীষ দত্ত বলেন ' এটা বারবার ঘটছে জামশেদপুরে । এর বিরুদ্ধে আমরা এআইএফএফ এবং এফএসডিএলকে জানাবো '। এর সঙ্গে টাটার বিষয়েও তিনি বলেন ' জামশেদপুর তো টাটার দল। টাটা আইএসএলের অন্যতম সেরা কোম্পানি। এতে বদনাম হচ্ছে টাটারই '। শুধু মোহনবাগান নয় এর আগেও বেশ কিছু ইস্টবেঙ্গল সমর্থককে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। ইস্টবেঙ্গলের এক মহিলা সমর্থককে হাতের বালা নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকতে না দেওয়ায় প্রতিবাদ জানান এক পুরুষ সমর্থক। ঘটনাস্থলে ছিলেননা কোনো মহিলা পুলিশ। ফলে সেখানেও হেনস্থা হতে হয়েছিল সেই সমর্থকদের। বারংবার জামশেদপুর সমর্থকদের এই ঘটনায় কালিমালিপ্ত হচ্ছে ফুটবলই। দুই প্রধানের সর্মথকরা আসবেন , খেলা দেখবেন , খেলায় হার জিত থাকবেই। তবে সমর্থকদের তর্কাতর্কি যাতে হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে না যায় সেই বিষয়ে আরও বেশি তৎপর হতে হবে পুলিশকেই। দায়িত্ব নিতে হবে জামশেদপুরের প্রশাসনকেও। যাতে যেকোনো দলের সমর্থকরাই জামশেদপুরের স্টেডিয়ামে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।
indian super league
জামশেদপুরে ফের হেনস্থার মুখে এক মোহনবাগান সমর্থক

×
Comments :0